সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

চুড়ির আইন কি?

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে
চুড়ির আইন বলতে সাধারণত বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরির সংজ্ঞা ও শাস্তিকে বোঝানো হয়, যেখানে অসৎ উদ্দেশ্যে কারো অস্থাবর সম্পত্তি তার সম্মতি ছাড়া সরানোকে ‘চুরি’ বলা হয় এবং এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে, তবে,《বিদ্যুৎ চুরি》 বা অন্যান্য নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে 《আলাদা আইন》 ও 《শাস্তি》 রয়েছে, যেমন বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৩ বছর কারাদণ্ড বা দ্বিগুণ জরিমানা। 
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী চুরি (ধারা ৩৭৮):
  • সংজ্ঞা: যদি কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যের দখল থেকে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি (যেমন – গয়না, টাকা, ইত্যাদি) তার সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নেয়, তবে তা ‘চুরি’ হিসেবে গণ্য হবে।
  • শাস্তি (ধারা ৩৭৯ ও অন্যান্য):
    • সাধারণ চুরি: ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও জরিমানা।
    • ঘরে চুরি: ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও জরিমানা।
    • রাতের বেলা বা পালানোর সময় বাধা দিলে: সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড। 
বিদ্যুৎ চুরি আইন (বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮):
  • শাস্তি: শিল্প বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ চুরি করলে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা চুরিকৃত বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। 
ইসলামী শরিয়াহ আইন অনুযায়ী:
  • শরিয়াহ আইন অনুযায়ী, চুরির প্রমাণ হলে দোষী ব্যক্তির হাত কেটে ফেলার বিধান আছে, তবে শর্ত সাপেক্ষে তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করতে পারেন। 
সুতরাং, ‘চুড়ির আইন’ নির্ভর করে কোন ধরনের চুরি এবং কোন প্রেক্ষাপটে তা সংঘটিত হয়েছে তার ওপর। 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com