সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

আখ চাষে নতুন আশা জাগাল লাল চিনি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
একসময় বিলুপ্তির পথে থাকা ফুলবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি লাল চিনি আবারও আলোচনায় এসেছে। ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর লাল চিনির চাহিদা ও বাজারমূল্য বেড়েছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আখের রস থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এই লাল চিনির ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি জিআই স্বীকৃতি উপজেলায় আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

জানা যায়, একসময় উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় প্রত্যেকটি গ্রামে আখের আবাদ হতো।

পৌষ মাস থেকে শুরু করে ফাল্গুন পর্যন্ত কৃষক আখ মাড়াই ও জ্বালঘরে আখের রস থেকে হাতে তৈরি করেন লাল চিনি। কালের বিবর্তনে এখন কালাদহ, কুশমাইল, বাক্তা ও রাধাকানাই ইউনিয়নের ১২ থেকে ১৫টি গ্রামে প্রায় তিন হাজার কৃষক লাল চিনি তৈরি করেন। 

দেশের অনেক অঞ্চলে আখের রস থেকে গুড় উৎপাদিত হলেও সম্পূর্ণ হাতে তৈরি লাল চিনি উৎপাদিত হয় ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। অন্তত ২০০ বছর ধরে কিষান-কিষানি হাতে তৈরি করছেন এই চিনি।

লাল চিনি দেখতে বালুর মতো মিহি, ধূসর ও লালচে রঙের। লাল চিনির তৈরি ফুকা পিঠা, তিলের নাড়ু, মুড়ির মোয়া, নারকেলের তক্তি ও মিঠাই খেতে খুবই সুস্বাদ। মৌসুমে উপজেলার রঘুনাথপুর, কৈয়ারচালা, বিদ্যানন্দ, শ্রীপুর, বাক্তা পলাশতলী, কুশমাইলসহ প্রায় ১৫টি গ্রামে আখ মাড়াইয়ের ধুম পড়ে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, একসময় উপজেলার প্রায় প্রত্যেক ইউনিয়নে আখের আবাদ হতো।
কালের বিবর্তনে প্রতিবছরই আখের আবাদ কমছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আখের চাষ কিছুটা বেড়েছে। এখন জিআই স্বীকৃতি পাওয়ায় আখ চাষে আরো বেশি সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com