এক ধরনের খাবার প্রতিদিন খেতে ভালো লাগে না। হঠাৎ একদিন ভিন্ন পদ রান্না করে সবাইকে চমকে দিন। হতে পারে থানকুনি পাতায় মলা মাছ, লালশাকে জলপাই টক কিংবা মিষ্টিকুমড়া ফুলের ভাজি। রেসিপি দিয়েছেন কানিজ ফাতেমা রুমা
থানকুনি পাতায় মলা মাছ
উপকরণ: মলা মাছ ৩০০ গ্রাম, থানকুনি পাতা দুই আঁটি, পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ফালি তিনটি, হলুদ গুঁড়া এক চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া আধা চা চামচ, তেল তিন টেবিল চামচ, ধনিয়া পাতা কুচি এক টেবিল চামচ।
প্রস্তুত প্রণালি: মাছ ও থানকুনি পাতা ধুয়ে নিন। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে রসুন বাটা, হলুদ, মরিচ, ধনিয়া গুঁড়া, লবণ অল্প পানিতে কষিয়ে নিতে হবে। মসলায় তেল উঠে এলে মাছ, কাঁচামরিচ ও থানকুনি পাতা দিয়ে সামান্য পানি দিতে হবে। মাছ ও থানকুনি পাতা একসঙ্গেই সেদ্ধ হয়ে যায়। মাছ সেদ্ধ হলে এবং ঝোল মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিন।
লালশাকে জলপাই টক
উপকরণ: লালশাক এক আঁটি, সেদ্ধ আলু তিনটি, জলপাই দুটি, লবণ স্বাদমতো, হলুদ গুঁড়া সামান্য, আদা-রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি একটি, কাঁচামরিচ দুটি, বাগারের জন্য–রসুন কুচি দুই চা চামচ, আস্ত জিরা আধা চা চামচ, শুকনামরিচ একটি, তেল এক টেবিল চামচ।
প্রস্তুত প্রণালি: সেদ্ধ আলু চটকে ৫০০ মিলি পানি ও সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, লবণ দিয়ে চুলায় দিতে হবে। লালশাক বেছে ধুয়ে ছোট টুকরা করে নিন। আলুর পানিতে বলক এলে শাক ও কাঁচামরিচ দিন। শাক সেদ্ধ হলে আস্ত জলপাই একটু কেচে নিয়ে শাকে দিতে হবে। একটি প্যানে তেল দিয়ে আগে শুকনামরিচ, রসুন কুচি ও জিরা একসঙ্গে ভেজে লাল করে বাগার দিন।
মিষ্টিকুমড়া ফুলের ভাজি
উপকরণ: মিষ্টিকুমড়ার ফুল ১৫টি, ডিম একটি, পেঁয়াজ কুচি বড় দুটি, রসুন কুচি এক চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি তিনটি, ধনিয়া পাতা কুচি এক টেবিল চামচ, তেল তিন টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি: কুমড়া ফুল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে টুকরা করে নিন। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে কুমড়া ফুল ও লবণ দিয়ে ভাজি রান্না করতে হবে। ঢাকনা ছাড়াই রান্না করুন। ভাজি হয়ে গেলে ডিম ভেঙে দিয়ে নাড়ুন। ধনিয়া পাতা দিয়ে নামিয়ে নিন।