গত রবিবার অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করে।
গত রবিবার অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করে।
এই সচিবালয় অধস্তন আদালতগুলোর তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আদালতের কাঠামোসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে, যা এত দিন আইন মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট নির্বাহী বিভাগ থেকে করা হতো। এই পরিবর্তন বিচার বিভাগের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলেই আশা করা যায়।
অবশ্য কিছুটা উদ্বেগের জায়গাও আছে।
তবু সব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের বিচার বিভাগীয় সংস্কারে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি আরো স্বাধীন, দক্ষ ও আধুনিক বিচার প্রশাসনের পথ সুগম হতে পারে, যেখানে বিচার বিভাগ সত্যিকারের অর্থেই রাষ্ট্রের স্বতন্ত্র ও মর্যাদাপূর্ণ এক স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।