|
শামসুল হুদা চৌধুরী
|
|
|---|---|
| জাতীয় সংসদের ৫ম স্পিকার | |
| কাজের মেয়াদ ১০ জুলাই ১৯৮৬ – ৫ এপ্রিল ১৯৯১ |
|
| পূর্বসূরী | মির্জা গোলাম হাফিজ |
| উত্তরসূরী | আব্দুর রহমান বিশ্বাস |
| ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ৭ মে ১৯৮৬ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ |
|
| পূর্বসূরী | খুররম খান চৌধুরী |
| উত্তরসূরী | কেরামত আলী তালুকদার |
| ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ২ এপ্রিল ১৯৭৯ – ২৪ মার্চ ১৯৮২ |
|
| পূর্বসূরী | আব্দুল হালিম |
| উত্তরসূরী | হাশিম উদ্দিন আহমেদ |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১ মে ১৯২০ বীরভূম, অবিভক্ত বাংলা, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০০ (বয়স ৭৯) ঢাকা |
| রাজনৈতিক দল | জাতীয় পার্টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল |
| দাম্পত্য সঙ্গী | লায়লা আর্জুমান্দ বানু |
| সন্তান | শাহনাজ হুদা[১] |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | প্রেসিডেন্সি কলেজ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় |
শামসুল হুদা চৌধুরী (১ মে ১৯২০ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০০) পরিণত বয়সে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যোগদান করেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৫ম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২] তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ধর্ম বিষয়ক, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথমে তথ্য ও বেতার মন্ত্রী ও পরে বেতার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রেল ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শামসুল হুদা চৌধুরী ১ মে ১৯২০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯৪১ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ভারত বিভাগের পর তিনি নবসৃষ্প পূর্ব পাকিস্তানে আগমন করেন ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় অভিবাসন গ্রহণ করেন। তার স্ত্রী গায়িকা ও সমাজকর্মী লায়লা আর্জুমান্দ বানু।[২]
শামসুল হুদা চৌধুরী ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ব্রডকাস্টিং এনকোয়্যারি কমিশনের চেয়ারম্যান। গণমাধ্যমের প্রতি আজীবন আগ্রহী শামসুল হুদা চৌধুরী ছিলেন টেলিভিশন ও বেতারের এক সুপরিচিত। তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিও এবং পরবর্তীকালে রেডিও পাকিস্তানের আঞ্চলিক পরিচালক, পর্যটন বিভাগের উপ-পরিচালক, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, ইপিআইডিসি-র জনসংযোগ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক দলের নেতৃত্ব দেন তিনি।[২]
তিনি নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭৭ সালে তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ময়মনসিংহ-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৩]
জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় তিনি ধর্মীয় বিষয়ক, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৪]
আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় তিনি ২৪ নভেম্বর ১৯৮১ সাল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তথ্য ও বেতার মন্ত্রী ও ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সাল থেকে ২৪ মার্চ ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বেতার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৪][৫][৬]
৭ মে ১৯৮৬ সালের তৃতীয় ও ৩ মার্চ ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৭][৮] ১০ জুলাই ১৯৮৬ সাল থেকে ৫ এপ্রিল ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৫ম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি রেল ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরও দায়িত্ব পালন করেন।[২]
২০০০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শামসুল হুদা চৌধুরীর মৃত্যু হয় এবং ঢাকায় স্ত্রী লায়লা আর্জুমান্দ বানুর কবরের পাশে সমাহিত হন।[২]
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে: |4= (সাহায্য)