পূজা উৎসবের পুরুষের সাজের মূল চরিত্র ধুতি-পাঞ্জাবি। বাজার ঘুরে এ বছরের ধুতি-পাঞ্জাবির খোঁজ নিয়েছেন আতিফ আতাউর

এ বছর ষষ্ঠী থেকে দশমীতে ধুতি পরবেন বলে জানালেন এই ফিচারের মডেল ও অভিনেতা তনয় বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘সারা বছর শার্ট-প্যান্ট পরলেও দুর্গাপূজার জন্য আমার ধুতি-পাঞ্জাবি বেশি পছন্দ। এই পোশাক পূজায় লুকে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।সাজেও ভিন্নতা আসে। এবারও ধুতি-পাঞ্জাবি পরব।’ দুর্গাপূজা গরমের মধ্যে পড়েছে। তাই ধুতির ফ্যাশনে আরামের দিকটাও প্রাধান্য দিয়েছে ব্র্যান্ডগুলো। রঙ বাংলাদেশের স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার সৌমিক দাশ বলেন, ‘ধুতি এমনিতেই আরামদায়ক ঐতিহ্যবাহী পোশাক।

দশমীর সাজের জন্য লাল রঙের পাঞ্জাবি মানানসই। লাল সিল্কের পাঞ্জাবিতে জারদৌসির নকশা করা পাঞ্জাবি বেছে নিতে পারেন। হাতে এমব্রয়ডারির কাজ আভিজাত্য যোগ করবে। সঙ্গে লাল পাড় সাদা ধুতি পুরো বাঙালি লুক এনে দেবে। অষ্টমীর সকালে সাদা রঙের ধুতি-পাঞ্জাবি পরতে পারেন। ঘিয়ে রঙের সিল্কের পাঞ্জাবির ওপর জারদৌসি নকশার কারুকাজ করা পাঞ্জাবি পাবেন বিশ্বরঙে। আধুনিকতা আর সাবেকিয়ানা মিলমিশে পূজার পোশাক সাজিয়েছে ব্র্যান্ডটি। কেবল অষ্টমীর জন্য ভাবলে চলবে না। অন্যান্য দিনের জন্য চাই মানানসই ধুতি-পাঞ্জাবি। যদি হালকা রং পছন্দ হয়, তাহলে স্ক্রিন প্রিন্টের নকশা করা পাঞ্জাবি বেছে নিতে পারেন।
কোথায় পাবেন, দর কেমন
সব ব্র্যান্ডেই পাবেন পূজার পাঞ্জাবি। তবে ধুতি সব ব্র্যান্ডে পাবেন না। রঙ বাংলাদেশ, বিশ্বরঙ, আড়ংসহসহ দেশি ব্র্যান্ডগুলোতে পাবেন ধুতি। দাম পড়বে ৫০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। পাঞ্জাবি পাবেন এক হাজার থেকে ১০ হাজারের মধ্যে। কম দামে কিনতে পাবেন নিউমার্কেট, বঙ্গ মার্কেট ও মিরপুর শাহ আলী মার্কেটে।