অভিভাবক নাজমা আক্তার বলেন, ‘ভাড়াসাশ্রয়ী ঠিকই, তবে বড় আকারে চালু না হলে সুফল পুরোপুরি মিলবে না। আশা করি, শিগগিরই শাটল বাস সার্ভিসের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এতে বসুন্ধরার যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।’
জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বসুন্ধরার ৩০০ ফিট মুখ থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের পকেট গেট পর্যন্ত দুটি শাটল বাস চলছে। প্রতিটি বাসে ছয়টি ব্যাটারি রয়েছে, যা একবার চার্জে প্রায় ৮০ কিলোমিটার চলতে পারে। শিগগিরই গাড়ির সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে বলে জানা গেছে।
বসুন্ধরা গ্রুপের ডিএমডি ও হেড অব দ্য ডিপার্টমেন্ট (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক বলেন, ‘যেকোনো শহরের বাসিন্দারা প্রথমেই চান এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দ্রুত যাতায়াত করতে। আমাদের যানজটের শহরে এটি আরো গুরুত্বপূর্ণ। ওইভাবে চিন্তা করলে বসুন্ধরা নাম্বার ওয়ান। কারণ শুধু ইন্টারনাল নেটওয়ার্কের কথাই যদি ভাবেন—প্রতিটি বাসার সামনে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুল্যান্স যেতে পারে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সুবিধা। আমাদের এখানে যদি ৫০ হাজার প্লট হয়, সব প্লটের সামনেই ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুল্যান্স যাওয়ার মতো রাস্তা রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আবাসনের ভেতরে সর্বনিম্ন ২৫ ফিট এবং সর্বোচ্চ ২০০ ফিট সড়ক রয়েছে। প্রগতি সরণিতে যেখানে ১০০ ফিট রাস্তা, আমাদের অভ্যন্তরীণ রাস্তাই সেখানে ২০০ ফিট। উত্তরে রয়েছে ৩০০ ফিট সড়ক ও ২০০ ফিট লেকসহ প্রায় ৫০০ ফিট খোলা জায়গা। দক্ষিণে ১২০ ফিট মাদানি এভিনিউ দিয়ে ঢাকা শহরের যেকোনো জায়গায় যাওয়া যায়। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কুড়িল সংযোগে বসুন্ধরা থেকে যেতে সময় লাগে মাত্র দুই-তিন মিনিট। সেখানে উঠে গেলে ভবিষ্যতে দক্ষিণ থেকে উত্তর কিংবা উত্তর থেকে দক্ষিণে যেতে সময় লাগবে মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিট। বিমানবন্দর কাছেই, যানজট না থাকলে পাঁচ থেকে সাত মিনিটে পৌঁছানো যায়। এ ছাড়া আমেরিকান এমবাসি, গুলশান, বনানীও খুব কাছাকাছি। নতুন শহরের দিকে জলসিঁড়ি নদীর এপার-ওপারও সহজেই যুক্ত হবে। সরকারের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পূর্বাচলেও মাত্র পাঁচ মিনিটে যাওয়া যায়। সব মিলিয়ে বসুন্ধরার সড়ক ব্যবস্থাপনা অন্য কোনো আবাসনে নেই।’