বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দেওয়া তথ্য মতে, গত বছর সারা দেশে ৩২ হাজার ৬৬৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হয়। এবার কতটিতে পূজা হচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে সেই সংখ্যা প্রায় এক হাজার বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। রাজধানীতে ২৫২টি মণ্ডপে পূজা হবে। পূজা সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। জেলা প্রশাসনগুলো প্রস্তুতিমূলক সভা করেছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা এবং প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
এর পরও দুর্গাপূজা সামনে রেখে দেশের ২৯ জেলাকে ‘ঝুঁকিপ্রবণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নাগরিক সমাজকে নিয়ে নবগঠিত প্ল্যাটফর্ম ‘সম্প্রীতি যাত্রা’। মানচিত্রে ২৯টি ‘ঝুঁকিপ্রবণ’ জেলার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, যশোর, চাঁদপুর ও নোয়াখালী—এই পাঁচটি জেলা ‘উচ্চঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সম্প্রীতি যাত্রার সংগঠক লেখক ও গবেষক মীর হুযাইফা আল-মামদূহ কালের কণ্ঠকে বলেন, দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তাঝুঁকি রয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরও এ ক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেনি।
তবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসব আনন্দঘন পরিবেশে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উদযাপিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশ প্রাক-পূজা ও পূজা চলাকালে এবং প্রতিমা বিসর্জন ও পূজা-পরবর্তী সময়ের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের পূজাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর কালের কণ্ঠকে বলেন, বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জার পাশাপাশি পূজার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ চলছে। এ নিয়ে এরই মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।