মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নেপালে অন্তর্বর্তী প্রধান হলেন প্রধান বিচার প্রতি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে
নেপালে সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর দেশটি গভীর রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আপাতত দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে কাকে আনা হবে তা নিয়ে চলছে তীব্র আলোচনা।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন নেপালের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, জেন-জি বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি। ছয় ঘণ্টার টানা বৈঠকের পর বিক্ষোভকারীরা তাকেই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন।এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ যারা বিক্ষোভে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে বলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনায় দাবি জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। একই সঙ্গে কেউ দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, এমন বিধান যুক্ত করে সংবিধান সংশোধন করাসহ নিপীড়ন তদন্ত কমিশন, বিচার বিভাগ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে হবে জানিয়ে দাবি তুলেছে জেন জি’রা।

২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি ছিলেন কার্কি। দায়িত্বকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিতি পান তিনি।কৃষক পরিবারের সন্তান কার্কি সাত ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। তার পরিবারের সঙ্গে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিপি কৈরালার পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। কৈরালা ১৯৫৯ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৭২ সালে মাহেন্দ্র মোরং ক্যাম্পাস থেকে বিএ পাস করেন কার্কি। পরে ভারতের বানারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক বিজ্ঞানে এমএ এবং ১৯৭৮ সালে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি নেন।তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালে দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী জয়প্রকাশ প্রসাদ গুপ্ত। আবার তার রায়ে দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষের এক প্রভাবশালী প্রধান অপসারিত হন। তবে ওই রায়ের কারণে তাকে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগে অভিশংসনের প্রক্রিয়ার মুখে পড়তে হয় এবং সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com