মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ট্রাইব্যুনালে জেরায় রাজসাক্ষী মামুন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

অবসরে যাওয়ার কথা থাকলেও দেড় বছরের চুক্তিতে ফের আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে দ্বিতীয় দফায় মেয়াদ বাড়ানোর সময় তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় তিনি জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্য কাউকে আইজিপির দায়িত্ব দিতে বলেছিলেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় এসব কথা বলেন মামলার রাজসাক্ষী ও সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।এর আগে সকালে তাঁকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল কোনো অপরাধ করেননি বলে মন্তব্য করেছেন তাঁদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।

জেরায় আইনজীবী আমির হোসেন সাবেক আইজিপির কাছে প্রশ্ন রাখেন, ‘তদবির করে আপনি আইজিপি হিসেবে এক্সটেনশন নিয়েছেন।’ জবাবে তা অস্বীকার করেন মামুন। পাল্টা প্রশ্নে আইনজীবী জানতে চান, মেয়াদ বাড়ানোর সময় তিনি কোনো আপত্তি জানিয়েছিলেন কি না।

জবাবে মামুন বলেন, প্রথমে সম্মতি নিয়েই দেড় বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়।কিন্তু দ্বিতীয়বার মেয়াদ বাড়ানোর সময় অনাগ্রহী ছিলেন। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্য কাউকে আইজিপির পদে বসাতে বলেছিলেন তিনি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিবকে নিজের অনাগ্রহের কথা জানালেও গোপালগঞ্জকেন্দ্রিক দ্বন্দ্বের কারণে তাঁকে আবারও আইজিপি করা হয়।তখন অবসরের পরও দুইবার আইজিপি হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন মামুন।জেরায় তিনি বলেন, ‘ছাত্রজীবনে আমি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমার বাবা দীর্ঘকাল শাল্লা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। আমার ছোট ভাইও একই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া ২০১৮ সালের নির্বাচন ঘিরে ভোট কারচুপি কিংবা অনিয়মের কারণে অন্য সব পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে আমিও পদক পেয়েছি। তবে ঠিক কী কারণে পেয়েছি তা এ মুহূর্তে বলতে পারব না। তবে এর আগে-পরে আরো দুইবার পদক পেয়েছি।’

জেরায় আসামি মামুনের কাছে আইনজীবী জানতে চান, যখন র‌্যাব পরিচালিত টিএফআই সেলে ব্যারিস্টার আরমানকে আটকের বিষয়ে জানতে পেরেছেন, তখন কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কি না।

জবাবে রাজসাক্ষী মামুন বলেন, ‘আমি র‌্যাবের বন্দিশালায় আটক ব্যারিস্টার আরমানকে মুক্ত বা আইনি সমাধানের জন্য চেষ্টা করেছি। তবে কোনো ব্যবস্থা করতে পারিনি।’ সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতনের নির্দেশনার দায়সহ জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গত ১০ জুলাই বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। গত ৩ আগস্ট প্রোসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের পর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলার তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক। গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এ মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়েছেন। মামলার ৩৬তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিলেন সাবেক এই পুলিশপ্রধান। মামলার ৩৬তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com