মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

চার্জশিট হলেই ভোটে অযোগ্য

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হলে তিনি জনপ্রতিনিধি অথবা সরকারি কোনো পদ বা দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। গতকাল বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠক-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩-এ নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছে।সংযোজিত ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওই আইনের ধারা ৯ (১)-এর অধীনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল হলে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়া বা বহাল থাকার অযোগ্য হবেন।’শফিকুল আলম বলেন, ‘একইভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় সরকার পরিষদ বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত হওয়া বা বহাল থাকার অযোগ্য হবেন। এমনকি প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়া বা অন্য কোনো পাবলিক অফিসে অধিষ্ঠিত হওয়ারও অযোগ্য হবেন।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন বরাবর মোট ৪৫০টি অভিযোগ জমা পড়েছে।

এর মধ্যে ২০৯ জনকে আসামি করে ৩০টি মিস কেস হয়েছে। এসব আসামির মধ্যে আটক রয়েছেন ৮৪ জন। ৩০টি মিস কেসের মধ্যে তদন্ত শেষে পাঁচটি মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (তদন্ত প্রতিবেদন) দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে গণ-অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মামলাসহ তিনটি মামলায় অভিযোগ গঠনের পর বিচার চলমান।আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা অন্য মামলাগুলো হলো—রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, ঢাকার চানখাঁরপুলে ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা, আশুলিয়ায় মৃতপ্রায় একজন ও পাঁচজনের লাশ পোড়ানোর এবং রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা ছাত্রকে গুলির মামলা।

 

এই হিসাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের নতুন বিধানটি কার্যকর হলে প্রথমেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা নির্বাচনে অযোগ্য হচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে আরো অনেকেই এই তালিকায় আসতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

যদিও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এরই মধ্যে নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনে দলটির নিবন্ধন স্থগিত হয়েছে। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না বলেও নির্বাচন কর্মকর্তারা মনে করেন।

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন যা বলেছে : নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ১৫ বছরের শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাকে ‘নৃশংস ইতিহাস’ আখ্যায়িত করে বলেছে, ‘ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাঁদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র গৃহীত হয়েছে (বা হবে), একটি দুর্বৃত্তমুক্ত বাংলাদেশ সৃষ্টির স্বার্থে তাঁদের নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখার কোনো বিকল্প নেই। বস্তুত এসব ভয়াবহ অপরাধীকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হলে পুরো জাতির, বিশেষত যাঁরা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে চরম আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের রক্তের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার সমতুল্য হবে বলে আমরা মনে করি।’

এ ছাড়া বলা হয়েছে, “গত ১৫ বছরের শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের নৃশংস ইতিহাস আমাদের সামনে আরেকটি নতুন দ্বিধাদ্বন্দ্বমূলক ইস্যু সৃষ্টি করেছে। এই সময়ে, বিশেষত গত ১০ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, অমানবিক নির্যাতন, সাংবাদিক-মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ইত্যাদির মতো গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা হচ্ছে এবং এঁদের মধ্যে যাঁরা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হবেন, তাঁরা অবশ্যই সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অযোগ্য হবেন। তবে আমরা মনে করি যে গত দেড় দশকে আমাদের সমাজে যে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করতে হলে যাঁরা এসব গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এখনো এর দায় স্বীকার করেননি বা ক্ষমা চাননি, তাঁদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখা আবশ্যক। কারণ ‘হাউস অব দ্য পিপল’ বা মহান জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার যোগ্যতার মাপকাঠি উচ্চতর হওয়া আবশ্যক। এ প্রসঙ্গে অবশ্য বড় বিবেচ্য বিষয়, হাজার বছরের পুরনো জুরিসপ্রুডেন্স (বিচারিক নীতি) হচ্ছে একজন ঘৃণ্যতম ব্যক্তিও নিরপরাধ, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ায় দোষী সাব্যস্ত না হন। এমনই দ্বিধাদ্বন্দ্বাত্মক পরিস্থিতিতে আমরা বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হয়েছি। এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, সংবিধানের ৪৭(৩) ও ৪৭ক-এর আলোকে এবং ৬৬(২) (ছ) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এসব অপরাধীকে, যাঁদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন, আইনানুগভাবে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে তাঁদের বিরত রাখা। এর অনেক নজির আছে। এ পরামর্শ যৌক্তিক বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে এবং আমরা তা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রসঙ্গত, অনেক দেশেই, এমনকি আমাদের প্রতিবেশী ভারতেও আদালতে অভিযুক্ত অপরাধীদের নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন ২০০৪ সালে এই প্রস্তাব গ্রহণ করে যে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে, যাঁর বিরুদ্ধে আদালত দৃশ্যত অপরাধের প্রমাণ পেয়েছেন এবং অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন, জনস্বার্থে তাঁকে নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখা যৌক্তিক। এ ব্যাপারে অভিযোগ করার কোনো সুযোগ নেই।”

প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২-এর ১২ অনুচ্ছেদে যেসব কারণে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে না, তা বলা আছে। এই অনুচ্ছেদের (ণ) উপ-অনুচ্ছেদে বলা আছে, কেউ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের অধীনে কোনো অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে তিনি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ নির্বাচনের যোগ্যতা-অযোগ্যতা সম্পর্কে এই অনুচ্ছেদের (ঙ) উপ-অনুচ্ছেদে একই কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ভোটার তালিকা আইন, ১৩(ঘ) ধারায় ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তন সম্পর্কে বলা হয়েছে, কেউ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের অধীনে কোনো অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়বে। আবার ভোটার না হলে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না।

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনে অভিযুক্ত ছাড়াও ফৌজদারি অপরাধে কমপক্ষে দুই বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ক্ষেত্রে আপিল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দণ্ডপ্রাপ্তির দিন থেকেই নির্বাচনে অযোগ্য করার সুপারিশ করেছে। ফেরারি আসামিদেরও নির্বাচনে অযোগ্য রাখার পক্ষে সংস্কার কমিশন। এ বিষয়ে আইন করার কথা বলা হয়েছে। কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের বিষয়টি নিয়ে আমাদের উচ্চ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে, যদিও বিচারের রায় অস্পষ্ট, এমনকি পরস্পরবিরোধী। তবে সব ক্ষেত্রেই নির্বাচন কমিশন ও আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আপিল করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে কিংবা সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকতে দিয়েছেন। মাহমুদুল ইসলামের (সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও ‘কনস্টিটিউশনাল ল অব বাংলাদেশ’ বইয়ের লেখক) মতে, যদি দুই বছরের বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, তাহলে তাঁকে সে লক্ষ্যে আদালতের কাছে আবেদন করতে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১(ক) ও ৪২৬ ধারার আওতায় তাঁর কনভিকশনের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ পেতে হবে। কারণ আপিল হলেও কনভিকশন বহাল থেকে যায় এবং আপিলকারী দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী হিসেবে গণ্য হন। এ ছাড়া মাহমুদুল ইসলামের মতে, কনভিকশন ও দণ্ড স্থগিত চাইলেই দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর তা প্রাপ্য নয়। এ ক্ষেত্রে আদালতকে অপরাধের মাত্রা এবং বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।

সম্প্রতি মো. মামুন ওয়ালিদ হাসান বনাম রাষ্ট্র মামলায় (ক্রিমিনাল মিসসেলেনাস কেস ১০০০৯/২০০৭) বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খোরশেদ আলম সরকার রায় দেন যে হাইকোর্ট বিশেষ বিবেচনায় কনভিকশন স্থগিত করতে পারেন, যা নিম্ন আপিল আদালতের এখতিয়ারবহির্ভূত। এ ক্ষেত্রে দণ্ডপ্রাপ্তকে আবেদন করতে হবে এবং দেখাতে হবে যে কনভিকশন স্থগিত না হলে অবিচার হবে এবং তিনি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তবে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কখন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে অযোগ্য হবেন—বিচারিক আদালতে প্রথম দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর না আপিল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর, তা এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। যদিও সব ক্ষেত্রেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আপিল করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে বা দায়িত্ব পালন করতে বিরত করা হয়নি। অর্থাৎ বিদ্যমান আইনি কাঠামোতে আদালতে শাস্তিপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তির প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নির্ভর করবে : (১) তাঁর সেনটেনস বা দণ্ড স্থগিত হয়েছে কি না। (২) তাঁর ‘কনভিকশন’ বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে কি না এবং (৩) সর্বোপরি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর। এসব অস্পষ্টতার করণে বিষয়টি নিয়ে আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীরা সংসদ সদস্য হয়ে যাতে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যবিধাতা না হতে পারেন, তাই আমরা আরপিওর ১২ ধারা সংশোধন করে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের বিচারিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার দিন দণ্ডপ্রাপ্তির শুরু থেকেই সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার পক্ষে। একইভাবে আমরা আইসিটি আইনে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে) দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দোষী সাব্যস্ত হওয়ার শুরু থেকেই সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার পক্ষে।”

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ‘অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বারবার প্রস্তাব এসেছে আদালতে ঘোষিত ফেরারি আসামিদের নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখার। প্রস্তাব এসেছে বাংলাদেশের কারাগারে অন্তরীণ রয়েছেন এমন ব্যক্তিদের ছাড়া অন্য সব প্রার্থীর সশরীরে নির্বাচন কমিশনে এসে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা মনে করি যে এসব প্রস্তাব যৌক্তিক এবং এগুলো দুর্বৃত্তদের দূরে রেখে আমাদের নির্বাচনী অঙ্গনকে কলুষমুক্ত করতে সহায়তা করবে।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com