পররাষ্ট্র সার্ভিসের চাকরি ছাড়ার লক্ষ্যে গত বছরের ২৩ জুলাই ঢাকা ছাড়েন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। এরপর এক বছরের বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রদূতশূন্য ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হেলেন লা ফেইভ ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই থেকে ১ নভেম্বর, মেগান বৌলডিন ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে এ বছরের ১০ জানুয়ারি ‘চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স’ (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পর থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
হোয়াইট হাউসের এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ভার্জিনিয়ার ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক।তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। মনোনয়নটি অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয়েছে।
ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন ২০২২ সালের আগস্ট থেকে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডারের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিরোধ মিশনের বৈদেশিক নীতির প্রভাব সম্পর্কে কমান্ডারকে পরামর্শ প্রদান করেছেন।ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র স্থানান্তর অফিসের উপপরিচালক (২০১৬-২০১৯) এবং হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকমিটির (২০১৫-২০১৬) সংখ্যাগরিষ্ঠ স্টাফের ‘পিয়ারসন ফেলো’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।উত্তর কোরিয়া নীতিসংক্রান্ত বিশেষ প্রতিনিধির বিশেষ সহকারী, পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক ব্যুরো সাইবার কো-অর্ডিনেটর, ম্যানিলায় মার্কিন দূতাবাসে অর্থনৈতিকবিষয়ক উপকাউন্সেলর, সান সালভাদরে মার্কিন দূতাবাসে উপকাউন্সেলর, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ বিষয়ক অফিসে ‘বাংলাদেশের কান্ট্রি অফিসার’, রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে অর্থনৈতিক কর্মকর্তা এবং হো চি মিন সিটিতে মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের ভাইস কনসাল হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।ন্যাশনাল ওয়ার কলেজের একজন বিশিষ্ট স্নাতক ক্রিস্টেনসেন ২০২২ সালে ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে’ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে স্নাতকোত্তর এবং রাইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা স্টাডিজে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি স্প্যানিশ, জার্মান ও ভিয়েতনামি ভাষায় কথা বলেন এবং ফরাসি, জাপানি ও পর্তুগিজ ভাষায় পড়াশোনা করেছেন। ২০০২ সালে ফরেন সার্ভিসে যোগদানের আগে তিনি হিউস্টন এবং নিউইয়র্ক সিটিতে ব্যবস্থাপনা পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতেন।