প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবির বিপরীতে সাত দফা দাবি জানিয়েছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবীরা। এই দাবি আদায়ে তাঁরা শেষ পর্যন্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন।তাঁরা এখনই বড় কোনো কর্মসূচিতে না গিয়ে সরকার গঠিত কমিটির কার্যক্রম আগে দেখতে চাইছেন। যদি সেখান থেকে যৌক্তিক কোনো সমাধান না আসে, তাহলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন।ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) সভাপতি প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন গত রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রকৌশলীদের সমস্যা সমাধানে সরকার কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির প্রথম সভায় আমিও উপস্থিত ছিলাম। সেখান থেকে ১৪ সদস্যের একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। আমরা গত বুধবার শান্তিপূর্ণভাবে সাত দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি।এখন সরকার গঠিত কমিটির কার্যক্রম আমরা দেখব। যদি সেখান থেকে আমাদের দাবির ব্যাপারে যৌক্তিক কোনো সমাধান না আসে, তাহলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।’প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন বলেন, ‘ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারদের পক্ষে যে তিন দফা দাবি তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণই অযৌক্তিক। এখন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের যদি প্রকৌশলীই না বলা হয়, তাহলে তো কারিগরি শিক্ষাই থাকে না।আর আমাদের পদোন্নতির যে বিধান, সেটা সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা করা হয়েছে। বরং সুবিধার দিক দিয়ে আমরা ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছি।’ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সাত দফা দাবিগুলো হলো ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সংরক্ষিত উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ সংরক্ষণ। ১৯৭৮ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনের আলোকে উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি ৫০ শতাংশে উন্নীত করা। প্রকৌশল কর্মক্ষেত্র ফিল্ড ও ডেস্ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিভাজনপূর্বক ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও ডেস্ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিযুক্তকরণ।








