মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

চট্টগ্রামে বিমানবন্দর সড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রস্তাব

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরীর রুবি সিমেন্ট গেইট থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রস্তাব করেছেন ওই সড়কে পাশে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা। তারা বলছেন, সড়কে দুপাশে জ¦ালানি তেলের ডিপোসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকায় ওই সড়ক সম্প্রসারণ না করে ফ্লাইওভার নির্মাণ করার কোনো বিকল্প নেই। জবাবে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আরো আলোচনা সাপেক্ষে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দেন। বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণ নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।গতকাল বুধবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় যানজট এড়াতে ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বিমানবন্দর সড়কটি সম্প্রসারণ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে ওই সড়কে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা বলেন, রুবি সিমেস্ট থেকে শুরু করে ড্রাই ডক পর্যন্ত সরকারি যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ যদি একদিনও কাজ বন্ধ থাকে সেই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ও জনগণের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হবে। তাছাড়া এই সড়কে যে রেললাইন রয়েছে এই রেললাইনে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা অয়েলের অনেক রেলগাড়ি প্রতিনিয়ত চলাচল করে। এতে করে এই সড়কে যানজট লেগে থাকে। এ প্রেক্ষিতে রেললাইনের ওপর ফ্লাইওভার করলে এই সড়ক যোগাযোগের গতি বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি সমস্যারও সমাধান মিলবে। তারা এই সড়কের পাশে যে রেললাইন রয়েছে এই রেললাইনকে কেন্দ্্র করে ফ্লাইওভার করার প্রস্তাব দেন।মেয়র বলেন, সভায় আলোচনার প্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী, আর্কিটেক্ট, নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে পরবর্তীতে সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিকাশে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত না করে সড়ক উন্নয়ন করা হবে মন্তব্য করে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বন্দরকে কেন্দ্র করে দেশের অধিকাংশ আমদানি-রফতানি পণ্য পরিবহন হয়। আগামীতে বন্দরের সক্ষমতা আরো বাড়বে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাই বিদ্যমান সড়ক ভবিষ্যতের জন্য যথেষ্ট হবে না। তবে এই সড়কটি এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যাতে করে বর্তমানে এই সড়কে যত বড় বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের যাতে কার্যক্রমে বেঘাত না ঘটে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। কারণ এখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জনগণের স্বার্থ জড়িত। বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণে ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয় বিবেচনা করবে চসিক।মেয়র আরো বলেন, রুবি সিমেস্ট থেকে শুরু করে ড্রাই ডক পর্যন্ত চার লেইনে প্রশস্তকরণের বিষয়ে ২০১৭ সালে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও সে সময় আর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়নি। সময়ের পরিবর্তনে বর্তমানে সড়কের অবকাঠামো অনেকটা পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে।সভায় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, বন্দর, নৌ বাহিনী, বিমানবাহিনী, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, চিটাগাং ড্রাই ডক, সিটি গ্রুপ, রেলওয়ে, চট্টগ্রাম বোট ক্লাব, এসএওসিএল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন। ##

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com