বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। বিষয়টি উঠে এসেছে ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের সম্পাদকীয়তে। গতকাল বুধবার প্রকাশিত ‘ওয়াচ ক্লোজলি : এডিটরিয়াল অন দ্য শিফট ইন বাইল্যাটারেল রিলেশনস বিটুইন পাকিস্তান অ্যান্ড বাংলাদেশ’ শিরোনামের সম্পাদকীয়তে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।সম্পাদকীয়তে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে।সর্বশেষ বাংলাদেশ সফর করেছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।বাণিজ্য, কূটনৈতিক বিনিময় জোরদার এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। তবে দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিচলিত ভারত।বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং শেখ হাসিনাকে উত্খাতের আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা ছাত্র নেতাদের প্রতিনিধিত্বকারী একটি গোষ্ঠীসহ বাংলাদেশি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত।বাংলাদেশে ২০২৬ সালের শুরুর দিকেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগেই পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে। এতে স্বাভাবিকভাবে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি।








