রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ কেবল তাদের বাস্তুচ্যুতির মূল কারণগুলো মোকাবেলা করেই পূরণ করা যেতে পারে। আর এর জন্য একটি শান্তিপূর্ণ এবং স্থিতিশীল মায়ানমার প্রয়োজন। রোহিঙ্গা ঢলের বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে পশ্চিমা ১২টি দূতাবাস গতকাল সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানায়।বাংলাদেশে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও ফিনল্যান্ড দূতাবাস/হাইকমিশন এই যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।
১২ দূতাবাস বলেছে, তারা নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়, নিরাপত্তা, আতিথেয়তা এবং জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা দেওয়াসহ উদারতার জন্য বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে কৃতজ্ঞতা জানায়।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গারা তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে চায়। আন্তর্জাতিক সমপ্রদায় প্রত্যাবাসনের পথ খুঁজে বের করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে সীমান্তের ওপারে বাস্তুচ্যুতি অব্যাহত রয়েছে। রাখাইনে অনেক রোহিঙ্গা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।