সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

সিলেট ও নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রায় দেড় লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সি‌লে‌টের কোম্পানীগ‌ঞ্জের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থে‌কে লুট হওয়া পাথ‌রের মধ্যে এক লাখ ঘনফুটের বে‌শি প‌রিমাণ পাথর জব্দ করা হ‌য়ে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে প্রশাসন। এর ম‌ধ্যে ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর সাদাপাথর এলাকায় নি‌য়ে পুনঃস্থাপন করা হ‌য়ে‌ছে।

গতকাল শুক্রবার রা‌তে এসব তথ‌্য কা‌লের কণ্ঠ‌কে নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন সি‌লে‌টের জেলা প্রশাসকের কার্যাল‌য়ের সহকারী ক‌মিশনার মো. মাসুদ রানা।

নারায়ণগঞ্জ জেলার কাঁচপুর থেকেও বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার ঘনফুট আস্ত ও ক্রাশড পাথর জব্দ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১১)।বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।বেপ‌রোয়া লুটপা‌টে সি‌লে‌টের সাদাপাথর পর্যটন‌কেন্দ্র পাথরশূন‌্য হ‌য়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের টনক ন‌ড়ে। বুধবার রা‌তে সিলেটের জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় কমিশনা‌রের কার্যাল‌য়ের সমন্ব‌য় সভায় লুট হওয়া পাথ‌র ফেরা‌নোসহ পাঁচ‌ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই রা‌তেই সেনাবা‌হিনীসহ যৌথ বা‌হিনী অ‌ভিযা‌নে না‌মে।রা‌তের মধ্যেই ১২ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করে।  এর পর থে‌কে অ‌ভিযান অব‌্যাহত র‌য়ে‌ছে।এদিকে অভিযানের ভয়ে বিভিন্ন ক্রাশার মিলের মালিকরা লুট করা পাথরের ওপর বালু ও মাটি ফেলে তা আড়াল করার চেষ্টা করছেন। গতকাল সকালে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ঘাট থেকে সিলেট সদর উপজেলার ধোপাগুল পর্যন্ত ক্রাশার মিল ও মজুদ এলাকায় এমন দৃশ্য দেখা যায়।বুধবার রাতে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বেশির ভাগ ক্রাশার মিল বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রাশার মিলের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। অনেক মিল মালিক ও বালু-পাথর ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

ভোলাগঞ্জের ক্রাশার মিল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, মিলের সামনে আমদানি করা পাথর রাখা হলেও পেছনে লুটের পাথর বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।কোনো কোনো স্থানে দ্রুত পাথর ভেঙে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা চলছে। সদর উপজেলার ধোপাগুল-লালবাগ ও শহীদ মিনার এলাকায় মিলের পাশে মাটি ফেলে পাথর ঢেকে রাখা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও মিলকর্মীরা মুখ খুলতে রাজি হননি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা জানান, সরকারি অভিযানকারী দলের চোখ এড়াতে বালু বা মাটির স্তূপের আড়ালে পাথর ঢেকে রাখা হচ্ছে।সদর উপজেলার ইউএনও খোশনূর রুবাইয়াৎ বলেন, ‘বালু-মাটি দিয়ে পাথর লুকানো হলেও উদ্ধার অভিযান চলবে। খবর পেয়েছি, বিভিন্ন বাড়িতেও পাথর লুকানো হচ্ছে।’কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও আজিজুন্নাহারও একই তথ্য দেন এবং লুকানো পাথর উদ্ধারের আশ্বাস দেন।নারায়ণগঞ্জ থেকে র‌্যাব জানায়, সিলেট থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা পাথরগুলো দয়ার বাজার, কলাবাড়ি ও ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাটে জমা করে ক্রাশার মেশিনে পাঠানো হচ্ছিল। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে এসব পাথর জব্দ করা হয়।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com