এ বিষয়ে শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, ‘চিকিৎসকের সংকট থাকায় জরুরিভাবে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রক্রিয়াটি নিয়ম অনুযায়ী হয়নি।তাই নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।’এর আগে বঞ্চিত চিকিৎসকদের অভিযোগ ছিল, হাসপাতালের অনারারি চিকিৎসকদের একটি অংশকে নিয়োগ দেওয়া হয় কোনো লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই। তাঁদের বেশির ভাগই কোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন।এ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম নিয়োগ প্রক্রিয়া তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়।








