সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে
রোহিঙ্গা সংকট এখনো শেষ হয়নি উল্লেখ করে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে সংকটের মূল কারণ চিহ্নিত করা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের একটি সম্মেলন কক্ষে ‘দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের নতুন আহ্বান’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের বৈশ্বিক আলোচনা সভায় এসব বিষয় উঠে আসে।
বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে বিশ্বের আটটি দেশের প্রতিনিধির পাশাপাশি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) প্রতিনিধিত্বকারী তুরস্ক ও কুয়েতের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
দীর্ঘদিনের এই মানবিক সংকট নিরসনে বৈশ্বিক মনোযোগ অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোকে আলোচনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, বছরের পর বছর ধরে নিজ ভূমি থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে শরণার্থী হিসেবে জীবনযাপন করলেও রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ কোনোভাবেই কমতে দেওয়া যাবে না। সংকটের একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধানের জন্য বিশ্বনেতাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও দায়বদ্ধতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
আলোচনায় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার জন্য নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয় দিয়ে আসা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির কারণে শরণার্থী ও স্বাগতিক জনগোষ্ঠী উভয়ের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
অতীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা মনে করেন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কঠিন হয়ে পড়বে।
আলোচনায় আরও বলা হয়, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া ও শর্ত নির্ধারণে তাদের নিজেদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো সিদ্ধান্ত রোহিঙ্গাদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে তাদের সক্রিয় ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। সংকট সমাধানে তিনি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাবও তুলে ধরেন।

 

বিষয়:  রোহিঙ্গা সংকট   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন   রোহিঙ্গা শরণার্থী   বাংলাদেশ   মিয়ানমার   রাখাইন   জাতিসংঘ   তারেক রহমান

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com