শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আলমগীর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের ছলেনামা গ্রামের ছত্তার শেখের ছেলে। আলমগীর পেশায় ইজিবাইক চালক ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় সাপ ধরার কাজ করার কারণে ‘ওঝা’ হিসেবে পরিচিতি পান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সাপ দেখা গেছে খবর পেয়ে শয়তানখালী ঘাটের চরে যান আলমগীর।
স্থানীয় বাসিন্দা জমির খান বলেন, ওঝা হয়েও ছত্তার ওঝা নিজের ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না।
আকোটের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আছলাম বেপারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমি নিহত ব্যক্তির বাড়ি পরিদর্শন করেছি।
চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, এই রোগীকে ওঝার ঝাড়ফুঁকের পর চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সাপে কামড় দেওয়া বা দংশনের ঘটনা ঘটলে কালক্ষেপণ না করে কাছের হাসপাতালে নিয়ে আসা উচিত। কোনো অবস্থাতেই ওঝার কাছে গিয়ে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। কারণ, দেরি হয়ে গেলে অনেক সময় চিকিৎসকদের কিছু করার থাকে না।