“পাঁচ বিঘা জমিতে সার লাগবে পাঁচটা, দেয় একটা। লাগবে সকালে, দেয় দুপুরে। এই ভাবে খেত করতে পারবে কেউ?”
বিবিসি বাংলাকে এভাবেই বলছিলেন রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার কৃষক তোরাপ শেখ।
আমন মৌসুম সামনে রেখে যখন কৃষকের সারের চাহিদা বাড়ছে, তখন দেশজুড়ে অতি প্রয়োজনীয় এই কৃষি পণ্য নিয়ে এক ধরনের অস্থিরতা চলছে।
চাহিদা মতো সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে একটি ডিলার গোডাউন ভেঙে সার লুটপাট করার ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করেছিল।
অনেক কৃষকের অভিযোগ, সার থাকার পরও কৃত্রিম সংকট দেখাচ্ছে ডিলাররা। ফলে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে খুচরা দোকান থেকে সার কিনতে হচ্ছে তাদের।
“খুচরা দোকানে সার মেলে, কিন্তু বস্তার ওপর দুইশ থেকে পাঁচশ টাকা করে বেশি নেয়। প্রয়োজন মিটাতে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতি হচ্ছে,” বিবিসি বাংলাকে বলেন ঝিনাইদহের কৃষক মোহাম্মদ জনি।
ডিলাররা অবশ্য বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় তারাও রয়েছেন চাপের মধ্যে।
“আগের তুলনায় আমরা সার পাচ্ছি কম, কৃষক চাহিদা বেশি। এ মাসে আমি টিএসপি পেলাম ৬০ বস্তা, ডিএপি পেলাম বিএডিসি ৬০ বস্তা, আর বাংলা ৭০ বস্তা, পটাস ৮০ বস্তা। ইউরিয়া আছে, বাকিগুলা সংকট,” বিবিসি বাংলাকে বলেন রাজশাহীর একজন সারের ডিলার।