মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

প্রতিটি উপজেলায়ই মিলবে চোখের উন্নত চিকিৎসা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে
  • ১০ লাখ ছানি অপারেশন কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা
  • প্রায় ৫০০ উপজেলায় থাকবে বিশেষ ব্যবস্থাদেশের প্রতিটি উপজেলায় চোখের উন্নত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রতিটি উপজেলায় নির্মীয়মাণ ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে আলাদা চক্ষু আউটডোর, ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রায় ৫০০টি উপজেলায় এই বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হবে। 

    একই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখ ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এসব তথ্য জানিয়েছেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ চলছে।এসব হাসপাতালে চক্ষু চিকিৎসার জন্য আলাদা আউটডোর, ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটারের ব্যবস্থা রাখা হবে। এর ফলে তৃণমূলের মানুষকে চোখের চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে হবে না।

     

    তিনি বলেন, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে প্রাইমারি আই কেয়ার বা প্রাথমিক চক্ষুসেবাকে বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালের বিদ্যমান অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও রিফ্রাকশন সেবা জোরদার করা হবে।

    ড. এম এ মুহিত আরো বলেন, দেশে প্রায় ১০ লাখ ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসার লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে দৃশ্যমান ও বড় ধরনের পরিবর্তন আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

    জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে একটি বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এটি শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে।

    তিনি বলেন, গত ছয় মাসে চক্ষুসেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।সরকারি-বেসরকারি ও এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের চক্ষুসেবার সাফল্য বৈশ্বিক পর্যায়ে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।

     

    অনুষ্ঠানে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম এম কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে, বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com