সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় বিক্ষোভকারীরা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতের অনলাইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন ক্রমেই বড় হচ্ছে। এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে বেকারত্ব, সীমিত কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ কমে যাওয়ার ক্ষোভ বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০-২১ সালের কৃষক আন্দোলনের পর এই আন্দোলন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য। কেননা অনলাইনে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে শুরু হওয়া সিজেপি এখন শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তুলেছে।

এর আগে, গত ৬ জুন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। গত মে মাসে একাধিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে দায়ী করছেন আন্দোলনকারীরা। তবে গত সোমবার পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের পর আন্দোলন তীব্র হয়। সেদিন পার্লামেন্টের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেললে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে।

এ বিষয়ে সিএনবিসির মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মূলত ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এক বক্তব্যকে ঘিরে সিজেপি গঠন হয়। এক শুনানিতে তিনি বলেন, দেশকে বিভিন্নভাবে অস্থিতিশীল করতে চাওয়া একদল ‘পরজীবী’ আছে আর তাদের সঙ্গে কিছু বেকার তরুণও যুক্ত হয়েছেন।

যদিও তার মৌখিক মন্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সূর্য কান্তের ওই বক্তব্যের পর গত ১৬ মে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিজিৎ দীপকে সিজেপি গঠন করেন। এর পর থেকেই ‘ককরোচ’ শব্দটি ঘিরে গড়ে ওঠা সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সংগঠনটির অনুসারী সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে যায়।

কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বিরোধী দলগুলো। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের অভিযোগের জবাবদিহির দাবিতে রাহুল গান্ধীসহ অনেক নেতা-কর্মী মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন।

এর আগে, গত মঙ্গলবার রাহুল গান্ধীকে আটক করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর অবশ্য তাকে ছেড়েও দেওয়া হয়। গত মে মাসে মেডিকেলের ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ নিট পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বাতিল করা হয়। এতে লাখো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হন। পরে জুনে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়।

পরে গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে আলোচনা এবং শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক উদ্বেগের সমাধানে শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে এতে আন্দোলনের তীব্রতা কমছে না। আন্দোলন ইতোমধ্যে ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বলে সিজেপির দাবি।

এদিকে সিজেপির আন্দোলনে বিভিন্ন আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ও কৃষক সংগঠনও সমর্থন দিয়েছে। কৃষকনেতা রাকেশ টিকাইত প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

পাশাপাশি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকা প্রায় সব গোষ্ঠী এই আন্দোলনে যুক্ত হচ্ছে। এটি দ্রুত বিস্তৃত হলেও একই সঙ্গে আন্দোলনটি আরও বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠার ঝুঁকিও বাড়ছে বলে মনে করেন ইউরেশিয়া গ্রুপের দক্ষিণ এশিয়া প্রধান প্রমিত পাল চৌধুরী।

প্রমি নিউজ বিডি

বিভিন্ন সূত্রঃ মিডিয়া থেকে নেয়া আমরা তাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ ।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com