প্রধানমন্ত্রী লিখিত জবাবে খরচ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, হজ একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা। এর মোট ব্যয়ের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ খরচ সৌদি আরব সরকার নির্ধারণ করে। এর মধ্যে মিনা ও আরাফাতের তাঁবু ভাড়া, পরিবহন, মোয়াল্লেম সার্ভিস চার্জ, মক্কা-মদিনায় হোটেল ভাড়া এবং ভিসা-ইনস্যুরেন্স ফি অন্তর্ভুক্ত।
সংসদকে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালে সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ ছিল চার লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। সরকারের প্রচেষ্টায় ২০২৬ সালে হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালে সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ নির্ধারিত হয় চার লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা।
২০২৭ সালের জন্য নতুন পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও সৌদি আরবের খরচ বিবেচনায় নিয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ আরো কমিয়ে আনার বা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের জন্য সরকার কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেবে।