বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে বিরোধী দল প্রস্তাবিত বাজেটের বিরোধিতা করছে। দেশের সংবাদমাধ্যমগুলো উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, এবারের বাজেটের পর এখন পর্যন্ত কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি। কারণ, চাল, ডাল, তেল, লবণসহ সব প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর যে ট্যাক্স ছিল, বর্তমান সরকার ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে তা তুলে নিয়েছে। এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য একটাই—দেশের মানুষ যাতে ভালো থাকতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল বলছে, এই গণবিরোধী বাজেট তারা মানে না। আপনাদের কাছে আমি প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, যে বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দল মানে না। যে বাজেটে মদের দাম বাড়ানো হয়, যেই বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দলের পছন্দ হয় না। তাহলে এবার বিরোধী দলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন?’ এর পরও যারা এই বাজেটের বিরোধিতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা কি না, তা জনগণকে বিবেচনা করতে হবে।
নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভোটের কালির দাগ শুকানোর আগেই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাতলি খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে এবং এক হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। এতে বছরে এক হাজার ২০০ মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে। পাশাপাশি আট হাজারেরও বেশি কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছর সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং লাখো কৃষক উপকৃত হবেন। কৃষকদের জন্য সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, কৃষি কার্ড চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে একজন কৃষক বীজ, সার ও কীটনাশক কেনার জন্য দুই হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা পাবেন। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় আট থেকে ১০ হাজার কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে।

নারীশিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেটিকে ডিগ্রি বা স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন কর ও ভ্যাট প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। আগে হৃদরোগের রিং পরাতে যেখানে এক লাখ টাকার বেশি খরচ হতো, আগামী জুলাই থেকে সেই ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। কিডনি ডায়ালিসিসের খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষার জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিকাশ লাভ করবে এবং দেশের তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী এমপি, লুত্ফুর রহমান এমপিসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক পাতলি খাল আট কিলোমিটার দীর্ঘ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পিএমখালীতে এসে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে নিজের হাতে কোদাল ধরে পাতলি খাল খননকাজের সূচনা করেছিলেন। সেই সময় প্রেসিডেন্ট খালের পারে একটি খেজুরগাছও রোপণ করেন। এটি আজ ৪৮ বছর পরও কালের সাক্ষী হয়ে বেঁচে আছে।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন : গতকাল কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে পার্কটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সাফারি পার্কের মূল ফটক প্রাঙ্গণে একটি নাগলিঙ্গমগাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি ও ডা. জুবাইদা রহমান পার্কের স্মারক বইয়ে সই করেন।
বৃক্ষরোপণ শেষে সমবেত জনসাধারণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেশের সবার কাছে আহবান জানাব, আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে, এই বিষয়টি মাথায় রেখে আজ থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব, সেখানে একটি করে গাছের চারা রোপণ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেশের মানুষের কাছে আমরা যেসব ওয়াদা করেছিলাম, তার মধ্যে একটি প্রতিশ্রুতি ছিল, আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করব। আমাদের লক্ষ্য থাকবে—বছরে অন্তত পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। সেই অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করব।’
অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকা সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রতি বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা সংযুক্ত আছেন। আপনাদের সবার কাছে আমার নির্দেশনা, নিজ নিজ জেলাকে সুন্দর-সবুজ অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আপনারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।’
এর আগে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
জুলাই শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত : প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শহীদ ওয়াসিম আকরামের মা জোসনা বেগমের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন। এ সময় শহীদ ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দেশের জন্য শহীদ ওয়াসিম আকরামের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের এই অনন্য অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
মাতামুহুরী উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন : প্রধানমন্ত্রী গতকাল নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর ফলে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-১ সংসদীয় আসনে মাতামুহুরী নামের নতুন উপজেলাটিও যুক্ত হলো। এ ছাড়া পেকুয়া উপজেলা সদরকে পৌরসভা ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত পৌরসভাটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার বা ছয় লেনে রূপান্তর হবে : গতকাল রাত পৌনে ৮টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার শহীদ আবদুল হামিদ বাস টার্মিনাল মাঠে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার বা ছয় লেনে রূপান্তর করা হবে। এ সময় উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মী ও জনতা হাততালি দিয়ে সাধুবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই এই মহাসড়কটি বর্তমান সরকার চার বা ছয় লেনে রূপান্তরের কাজ শুরু করবে।’
এই মহাসড়কটি অনেক আগেই চার বা ছয় লেনে রূপান্তর করা উচিত ছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ থেকে ২৫ বছর আগে আমি এই সড়ক দিয়ে কক্সবাজার এসেছিলাম। তখন সড়কটি যে অবস্থায় দেখেছিলাম এবার এসেও তাই দেখতে হয়েছে, যা খুবই দুঃখজনক। এবার অবশ্যই এই মহাসড়কটি অচিরেই চার বা ছয় লেনে রূপান্তর করার কাজ শুরু করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি অবগত হয়েছি, এখানকার লবণ চাষিরা তাঁদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই আমি কথা দিচ্ছি, আপনাদের এলাকার সন্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে লবণ চাষিদের দীর্ঘদিনের দুঃখ মোচন করা হবে। যাতে এখানকার লবণশিল্প রক্ষা পায় এবং চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সদ্য ঘোষিত বাজেটকে গণমানুষের বাজেট আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘দেশের মানুষের চিকিৎসা ব্যয় যাতে আয়ত্তের মধ্যে আনা যায়, সে জন্য ঘোষিত বাজেটে চিকিৎসাসংক্রান্ত সব ধরনের ট্যাক্স প্রত্যাহার করা হয়েছে, যাতে এর সুফল এই দেশের জনগণ পায়। অথচ বিশেষ মহলটি এই বাজেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কারণ তারা দেশের জনগণের কল্যাণ চায় না বলেই বাজেট নিয়ে তাদের এই অবস্থান।’
নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের কল্যাণে সরকার কাজ শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আঙুলে দেওয়া ভোটের কালি মুছার আগেই বিএনপি সরকার দেশের কৃষক, শ্রমিক থেকে শুরু করে সবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড প্রদানের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যেই প্রতি উপজেলায় আট থেকে ১০ হাজার পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী ও চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় সরকারের একাধিক মন্ত্রী, এমপিসহ দলের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নারী ভোটারদের বিভ্রান্তির বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের নারী ভোটারদের যাতে ‘টিকিট’-এর কথা বলে আর কেউ বিভ্রান্ত করতে না পারে সে জন্য এখন থেকেই সজাগ থাকতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মসূচি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেন, দলকে শক্তিশালী করার জন্য গণমানুষের পাশে থাকতে হবে।
গতকাল শনিবার কক্সবাজারের পাতলি খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি গণমানুষের দল। মানুষের ভাগ্য উন্নয়নেই দলটির নেতাকর্মীরা নিয়োজিত। গত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের প্রত্যেককেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি কেন তার কারণ খুঁজে এখন থেকেই দলীয় কর্মকাণ্ড বাড়িয়ে দিতে হবে।
সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কক্সবাজার তথা সারা বাংলাদেশের জন্য বৃহত্তর মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছি। আমাদের নেতা বলেছেন, আই হ্যাভ এ প্ল্যান। উনার প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। দেশের মানুষ দেখতে শুরু করেছে।’
তিনি বলেন, প্রায় ৪৮ বছর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একবার পাতলি খাল খনন করে স্থানীয় মানুষকে জাগ্রত করেছিলেন। এখন সেই পাতলি খাল পুনঃখননের মাধ্যমে তাঁরই পুত্র আবার এলাকাবাসীকে উজ্জীবিত করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার দিনব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য কর্মসূচিতেও অংশ নেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী : গতকাল সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কক্সবাজারের কর্মসূচি শেষে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পৌঁছান। এর আগে কক্সবাজার নেমে প্রথমেই পাতলি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে একটি সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। এরপর সাফারি পার্ক পরিদর্শনে যান তিনি। গাড়িতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ। এ সময় রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে অভ্যর্থনা জানান।