সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

টাঙ্গাইলে অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

আসামিদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এই দণ্ডাদেশ দেন।

যাবজ্জীবন (আমৃত্যু অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত) সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রামপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০) ও গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষাবাড়ী গ্রামের হিরালাল আর্যের ছেলে গৌতম চন্দ্র আর্য (৩০)।

এছাড়া ১০ বছর করে আটকাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ঘাটাইলের নিয়ামতপুর কাজীপুর গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে হাসান আলী (২৫) ও ভূঞাপুরের রুহুলী পশ্চিমপাড়া গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মো. সোহেল (২৫)। এখন প্রাপ্ত বয়স্ক হলেও ঘটনার সময় তারা শিশু থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের পরিবর্তে আটকাদেশ দেয়া হয়।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি অ্যাডভোকেট শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু জানান, বিগত ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ভূঞাপুর উপজেলার পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের মো. সাগরের আট বছর বয়সী ছেলে মাসুদ রানা সয়ন তার নানার বাড়ি রুহুলী থেকে মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। সে ওই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। স্কুল থেকে আসামিরা তাকে অপহরণ করেন। পরে তারা সয়নের পরিবারের কাছে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এর মধ্যে দুই লাখ টাকা অপহরণকারীদের দেয়া হয়। তারপরও অপহরণকারীরা সয়নকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলেন। এ ঘটনায় সয়নের নানী মাজেদা বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ভূঞাপুর থানায় মামলা করেন। মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্রধরে আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। আসামিরা আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনের দেয়া তথ্যমতে বিগত ২০১৫ সালের ১৮ মার্চ মধুপুর উপজেলার টেংরী গোরস্থানস্থ জনৈক শাহ আলমের বসতবাড়ির ভিতরে পশ্চিম পাশে প্রাচীর সংলগ্ন স্থান থেকে ভিকটিম মাসুদ রানা সয়নের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। বিচারক রায় ঘোষণার পর আদালতের বারান্দায় আসামিদের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এছাড়া আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শামীম চৌধুরী দয়াল ও অ্যাডভোকেট মিসেস খুকু রানী দাস।

ইত্তেফাক/এমএএম

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com