আদেশের পর এ নিয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এ মামলার তদন্তে আমরা কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি। এর মধ্যে আছে, সে সময় ‘সমীকরণ’ নামের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করেছিলেন একাত্তর টেলিভিশনের ফারজানা রুপা। প্রতিবেদনে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকার আছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘শাপলা চত্বরের প্রকৃত ঘটনাটাকে আড়ালের ক্ষেত্রে মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপার অনন্য ভূমিকা ছিল। মৃত্যুর তথ্য লুকাতেও তাঁরা চেষ্টা করেছেন। তাঁদের এই প্রচেষ্টা সিস্টেমেটিক অ্যাটাকের মধ্যেই ছিল। তাঁরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্ধতিগত কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন।…এ জন্য এ মামলার তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রূপা, মোজাম্মেল বাবু ও দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলাটিতে রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল জলিল মণ্ডল। গত বুধবার জলিল মণ্ডলের জামিন শুনানিতে এ কথা বলেন তাঁর আইনজীবী মো. আলী হায়দার। গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ চার জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে হত্যার তথ্য পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। আগামী ৭ জুন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য আছে।