মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

হাওরের কৃষক বাঁচাতে ১,৪২৯ কোটির প্রকল্প

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
দেশের উত্তর-পূর্বে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের আগাম বন্যার হাত থেকে রক্ষায় এক হাজার ৪২৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। নদী খনন, খাল পুনঃখনন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার ২৩০ হেক্টর কৃষিজমি সুরক্ষার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তাতে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ‘হাওর অঞ্চলের আগাম বন্যা ও সমন্বিত পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের আগে যাচাই-বাছাই করতে আগামী বৃহস্পতিবার প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৯ সালের জুন মেয়াদে এটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার ১৬টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। 

প্রকল্পের লক্ষ্য হলো—হাওরের নদীগুলোর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা, যাতে আগাম বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা যায় এবং বোরো ধানের ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়।

এ লক্ষ্যে ১৩টি নদীর ৩০৩.৫৮ কিলোমিটার অংশ ড্রেজিং এবং প্রায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ডুবন্ত বাঁধ শক্তিশালী করতে তিন কিলোমিটার এলাকায় সিসি ব্লক আর্মারিং এবং পানি প্রবাহ ও নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ১২টি ফ্লাড ফিউজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। 

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে প্রায় ১৫ লাখ টন বোরো ধান আগাম বন্যার ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন।

বিশেষ করে নদী ড্রেজিংয়ের খরচের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি ঘনমিটার মাটি অপসারণে প্রায় ১৯৩ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে, যা অন্যান্য চলমান প্রকল্পের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি। 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com