কিন্তু এই ধরনের অনেক ছাঁচের মতোই, এটিও নিজের ভারেই ভেঙে পড়ে। চীন ইরানকে অস্ত্র দিচ্ছে—এই অভিযোগটি শুধু অপ্রমাণিতই নয়; এটি বেইজিংয়ের ঘোষিত নীতি, বৈশ্বিক সংঘাতগুলোতে তার ধারাবাহিক আচরণ এবং কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে মৌলিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এর কারণ বুঝতে হলে, ঠাণ্ডা যুদ্ধের দৃষ্টিভঙ্গি সরিয়ে রেখে বেইজিং আসলে কিভাবে কাজ করে তা খতিয়ে দেখতে হবে।
প্রথমত, চীনের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ‘অহস্তক্ষেপ ও জোটনিরপেক্ষতা’ বিবেচনা করুন।
বিষয়টি স্পষ্ট : চীন বিশ্বাস করে যে সংঘাত ও যুদ্ধের অবসান আলোচনার টেবিলে হওয়া উচিত, পরিস্থিতি আরো খারাপ করে নয়।
২০২৩ সালে বেইজিং ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলাতে মধ্যস্থতা করেছিল, যেখানে ধ্বংসের পরিবর্তে সংলাপের মডেলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। তেহরানকে অস্ত্রসজ্জিত করা হলে সেই মডেলটি ভস্মীভূত হয়ে যাবে। সূত্র : মিডল ইস্ট আই