প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তাঁরা গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দপ্তরে দেখা করেছেন। সাক্ষাৎকালে জ্বালানি তেলের সর্বশেষ পরিস্থিতি তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।
সাক্ষাতের পর অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটা যুদ্ধকালীন অবস্থার মধ্যে আছি। সারা বিশ্ব তাদের জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। এমনকি আমেরিকাও পাঁচ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সেখানে এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইমপোর্ট করে আমরা যে স্টক তৈরি করেছি তার যে দাম পড়েছে, সেই দামের থেকে নিচে আমরা এখন প্রাইজ অ্যাডজাস্ট করছি।
এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা। কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রায় কিনতে হয় সেটা সমন্বয় করে যাতে আমরা সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করেছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তুকি এখনো আছে। আপনি যদি সঠিক হিসাব জানতে চান, সেটা মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে।
’ তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বে প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও সেই প্রভাব আছে।’
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সামনে বর্ষা আসছে। বন্যা ও প্লাবন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের আগাম কী কী কাজ করা দরকার, সেসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনাগুলো তাঁকে অবহিত করেছি।’
তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত আছে। আগামী ২৭ এপ্রিল যশোর এবং ২ মে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
এর আগে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে সচিবালয় দপ্তরে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এটি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের প্রথম সভা ছিল।