সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মুসলিম সভ্যতায় খোদাই শিল্পের বিকাশ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে
মুসলিম সভ্যতায় খোদাই শিল্প (Engraving Art) স্থাপত্য, ধাতু ও পাথর শিল্পের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত বিকশিত হয়েছিল, বিশেষ করে সুলতানি ও মুঘল আমলে এর ব্যাপক প্রসার ঘটে [২, ৩]। তাজমহলসহ বিভিন্ন স্থাপত্যের দেয়ালে পাথর খোদাই ও ক্যালিগ্রাফি এবং ধাতব পাত্রের ওপর সূক্ষ্ম খোদাই কাজ মুসলিমদের শিল্পবোধ ও সৃজনশীলতার অনন্য নিদর্শন [২]।
মুসলিম সভ্যতায় খোদাই শিল্পের বিকাশের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • স্থাপত্যে খোদাই (Stone Carving): মসজিদ, মাজার ও প্রাসাদের গায়ে পাথর কেটে লতাপাতা ও জ্যামিতিক নকশা খোদাই করা হতো। বিশেষ করে মুঘল স্থাপত্যে ‘পিয়েত্রা দুরা’ (পাথরে রত্নখচিত খোদাই) শিল্পের ব্যাপক চর্চা ছিল [২]।
  • ক্যালিগ্রাফি খোদাই: কোরআনের আয়াত ও আরবি ক্যালিগ্রাফি পাথর বা ধাতুর ওপর খোদাই করে মসজিদ ও দরবার সাজানো হতো [৪]।
  • ধাতব শিল্পে খোদাই (Metal Engraving): তামা, কাঁসা ও ইস্পাতের তৈজসপত্র, অস্ত্র ও বর্মের ওপর সূক্ষ্ম খোদাই কাজ করা হতো। পারস্যের সমরকন্দ ও খাওয়ারিজমের খনিজ শিল্পে খোদাই কাজের উচ্চমান ছিল [১]।
  • বাংলার মুসলিম শিল্প: বাংলাদেশে সুলতানি আমলে পাথর খোদাই শিল্পের বিশেষ বিকাশ ঘটেছিল, যা তৎকালীন ইমারতগুলোতে দৃশ্যমান [৩]।
মূলত, ধর্মীয় শালীনতা ও সৌন্দর্যবোধের সমন্বয়ে মুসলিম শিল্পীরা খোদাই শিল্পকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন [৭]

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com