পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবরাজ গত দেড় বছর ধরে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের কাচারি রোডের ব্যবসায়ী সুফল পালের মুদি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে তিনি মালামাল আনার জন্য একটি ভ্যান নিয়ে আখড়া রোডের একটি গুদামে যান। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় দোকান মালিক সুফল পাল তাকে খুঁজতে গুদামে যান। সেখানে গিয়ে আড়ার সঙ্গে যুবরাজকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্মার্টফোন বিশ্লেষণ করে পুলিশ ও বন্ধুরা বেশ কিছু খুদে বার্তা (মেসেজ) উদ্ধার করেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি বন্ধুদের পাঠানো বার্তায় এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বিচ্ছেদের কথা উল্লেখ করেছিলেন। সেই কষ্টের কথা জানিয়েই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আলামত ও তার ফোনের মেসেজগুলো পর্যালোচনা করে এটিকে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। কোনো এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদের কষ্টে তিনি এমনটা করেছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।








