সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

পানযোগ্য পানি চেনার উপায়

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে
বেঁচে থাকার জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। পানি ছাড়া শরীরের কোনো অঙ্গই কাজ করতে পারে না। হজম, মস্তিষ্ক, হূিপণ্ড এবং কিডনির কার্যকারিতার জন্য শরীরে পানির প্রয়োজন। শুধু পানি হলেই হবে না, হতে হবে বিশুদ্ধ পানি।

পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো জানান, পানি পানযোগ্য কি না, তা বোঝার জন্য প্রধানত এর স্বচ্ছতা, গন্ধ ও স্বাদ পরীক্ষা করতে হয়। নিরাপদ পানি পুরোপুরি স্বচ্ছ, স্বাদহীন ও গন্ধহীন হবে। এ ছাড়া টিডিএস (TDS)) মিটার দিয়ে পরীক্ষা করেও পানির বিশুদ্ধতা যাচাই করা যায়। 

নিরাপদ পানি চেনার উপায়

স্বচ্ছতা : নিরাপদ পানির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পুরোপুরি স্বচ্ছ বা বর্ণহীন হবে।

কোনো ধরনের ঘোলাটে ভাব বা ময়লা থাকবে না। 

গন্ধ : বিশুদ্ধ পানিতে কোনো দুর্গন্ধ থাকে না। নর্দমার পানির মতো বা ধাতব গন্ধ দূষণের লক্ষণ। নিরাপদ পানির কোনো তীব্র বা বাজে গন্ধ থাকে না।

 

স্বাদ : বিশুদ্ধ পানির সাধারণত কোনো স্বাদ থাকে না। পানিতে ধাতব বা তেতো স্বাদ থাকলে বুঝতে হবে এতে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি রয়েছে। পানিতে তেতো, নোনতা বা ধাতব স্বাদ অতিরিক্ত দ্রবীভূত খনিজ পদার্থের উপস্থিতি নির্দেশ করে। পানির স্বাদ হঠাত্ অন্য রকম মনে হলে তা পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বাড়িতে বা পাড়ায় একাধিকবার ডায়রিয়া, বমি, ডিহাইড্রেশন, জ্বর ও পেটে ব্যথা হওয়া দূষিত পানির ফল হতে পারে।

 

রং : নিরাপদ পানি পুরোপুরি বর্ণহীন হবে। হলুদ, বাদামি বা যেকোনো রঙের পানি দূষিত।

টিডিএস লেভেল পরীক্ষা : পানি পানযোগ্য কি না নিশ্চিত করতে টিডিএস মিটার (Total Dissolved Solids Mete) দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এর মাধ্যমে পানিতে কতটা খনিজ ও লবণ আছে, তা জানা যায়। টিডিএসের মাত্রা তিন শর নিচে হলে সেই পানি নিরাপদ বলে ধরা হয়। ৩০০ থেকে ৬০০ হলে তা পানের যোগ্য। আর ছয় শর বেশি হলে সেই পানি অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়। (Total Dissolved Solid) হচ্ছে পানির পরিচ্ছন্নতার নির্দেশক। প্রতি এক লিটার পানিতে কত মিলিগ্রাম কঠিন পদার্থ দ্রবীভূত আছে, তা টিডিএস দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যত কম টিডিএস, পানি ততই পরিষ্কার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য (WHO) অনুযায়ী, পানযোগ্য নিরাপদ পানির টিডিএস ৩০০ থেকে ৬০০ পিপিএম (Parts Per Million) হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজারেই কিনতে পাবেন টিডিএস মিটার। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবগুলোতেও পানি পরীক্ষা করাতে পারেন। সেখানে টোটাল ডিজলভড সলিডস, হার্ডনেস, ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার মতো বিষয়গুলো পরীক্ষা করে পানি পানযোগ্য কি না যাচাই করে দেখতে পারেন। এ ছাড়া র্যাপিড টেস্ট কিট পাওয়া যায় বাজারে, যা দিয়ে বাড়িতেই পানির বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করা সম্ভব। এর জন্য কলিফর্ম ই-কোলাই টেস্ট কিট কিনতে হবে। এই কিট ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সঠিক ফল দেয়।

উত্স নিশ্চিত করা : পানির উৎস সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। ফোটানো পানি, ফিল্টার করা পানি বা বোতলজাত পানি সাধারণত নিরাপদ ও পানের যোগ্য। শুধু স্বচ্ছ হলেই পানি পানযোগ্য হবে এমন ভাববেন না। অদৃশ্য ব্যাকটেরিয়া বা আর্সেনিক পানিতে থাকতে পারে। তাই পানির উত্স সম্পর্কে নিশ্চিত হোন, প্রয়োজনে ল্যাব টেস্ট করুন।

 

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com