গতকাল রবিবার স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করতে চাই। আজকের কার্যসূচিতে ‘সম্পূরক কার্যসূচি’ নামে একটি পাতা পেয়েছি। সেখানে কিছু বিল সামনে আনা হয়েছে এবং আমার ধারণা, সেগুলো অধ্যাদেশকে কেন্দ্র করেই আনা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা যে দুটি বিলের কথা বলছেন, সেগুলো ১৩৩টি অধ্যাদেশের অন্তর্গত নয়, এগুলো নতুন বিল। যেটা ল্যাপস করা হয়েছে, কিছু হেফাজত করা হচ্ছে। পরে বিল আকারে যাচাই-বাছাই করে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
নামাজের বিরতির পর আইনমন্ত্রী বক্তব্য সংশোধন করে জানান, ‘বিরোধীদলীয় নেতা যে দুটি আইনের কথা বলছেন, সেগুলো ওই ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যেই ছিল।’
এরপর ডা. শফিকুর রহমান পুনরায় বলেন, ‘ল্যাপস করার কথা বলা অধ্যাদেশগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং জনগণের অধিকার সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। সেগুলো সংসদে উত্থাপন করা হোক এবং আমরা এতে আলোচনার সুযোগ চাই।’
আইনমন্ত্রী প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘প্রতিটি অধ্যাদেশই সংসদে উত্থাপিত হবে। ফার্স্ট রিডিং ও সেকেন্ড রিডিংয়ের সময় আলোচনা করা যাবে।
শেষে সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্পিকার বলেন, ‘আমাদের ৯ তারিখের মধ্যে প্রায় ৯৩টি বিল পাস করতে হবে। আপনারা যে বক্তব্য উপস্থাপন করবেন, আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করব।’
সভায় স্পিকার ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে ল্যাপস করা অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী সময়ে সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন এবং তদারকি করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।