সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

খলিফা হয়ে প্রথম ভাষণে যা বলেছিলেন আবু বকর (রা.)

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

নবীজির (সা.) ইন্তেকালের পর মুসলমানদের নেতা কে হবেন এটা নিয়ে সাহাবিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। আবু বকর (রা.) খলিফা হিসেবে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ও আবু ওবায়দা ইবনুল জাররাহের (রা.) নাম প্রস্তাব করেন। কিন্তু তারা দুজনই খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অস্বীকার করে আবু বকরকে খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অনুরোধ করেন।

আবু ওবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.) আবু বকরকে (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরে মুসলমানদের মধ্যে কারো জন্যই আপনার ওপরে স্থান পাওয়া সমীচীন নয়। আপনি সেই ব্যক্তি, যিনি রাসুলুল্লাহর (সা.) সঙ্গে হিজরতের সময় সাওর গুহায় ছিলেন।

কোরআনে আপনাকে ‘দ্বিতীয় ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন অসুস্থ হলেন, তখন তিনি আপনাকেই ইমামতি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং আপনি নামাজের ইমামতি করেছিলেন। সুতরাং এই দায়িত্বে আপনার হকই সবচেয়ে বেশি।

ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) সমবেত সাহাবায়ে কেরামের উদ্দেশে বলেন, আপনারা কি জানেন না যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নামাজের জন্য আবু বকরকে সামনে এগিয়ে দিয়েছিলেন? তাহলে আমাদের মধ্যে কে এমন আছে যার মন সায় দেয় যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) যাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, সে তার চেয়েও সামনে এগিয়ে যাবে?

এভাবে সাহাবায়ে কেরাম একমত হন যে, আবু বকরেরই (রা.) খলিফা হওয়া উচিত। নবীজি (সা.) স্পষ্টভাবে তাকে খলিফা নির্ধারণ করে না গেলেও নামাজের ইমামতি করার নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যমে তার দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

ওমর (রা.) প্রথম আবু বকরকে খলিফা হিসেবে গ্রহণ করে তার হাতে বায়াত হন (অর্থাৎ তার আনুগত্যের শপথ করেন)। তারপর একে একে উল্লেখযোগ্য সাহাবায়ে কেরাম এবং মদিনার সাধারণ মুসলমানরা আবু বকরের (রা.) হাতে বায়াত হন।

খলিফা হয়ে প্রথম ভাষণে আবু বকর (রা.) বলেন,

“হে মানুষ! আমাকে আপনাদের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অথচ আমি আপনাদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। আমি যদি সঠিক পথে থাকি, তাহলে আমাকে সাহায্য করুন। যদি ভুল পথে থাকি, তাহলে আমাকে সংশোধন করে দিন। আমি যতক্ষণ আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলব, ততক্ষণ আমার আনুগত্য করুন। যদি আল্লাহর অবাধ্য হই, তাহলে আমার আনুগত্য করার প্রয়োজন নেই। শুনে রাখুন! আপনাদের সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তি আমার কাছে সবচেয়ে শক্তিশালী, যতক্ষণ না আমি তার হক আদায় করে দিতে পারি। আর আপনাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি আমার কাছে দুর্বল, যতক্ষণ না আমি তার কাছ থেকে হক আদায় করে নিই। আল্লাহর কাছে আমার ও আপনাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com