ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ১৩৬২ বঙ্গাব্দে তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ ‘সূর্যগ্রহণ’ প্রকাশিত হয়।
১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনও আসেনি’ মুক্তি পায়। তারপর একের পর এক তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকে।
জহির রায়হানের উর্দু ছবি ‘সঙ্গম’ ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙিন ছবি। তিনি ১৯৬১ সালে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুমিতা দেবীর সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন এবং ১৯৬৮ সালে অপর চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুচন্দাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৬৪ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে ‘কাঁচের দেয়াল’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র বিভাগে নিগার পুরস্কার, ১৯৭২ সালে গল্প সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭১, মরণোত্তর), ১৯৭৭ সালে শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (মরণোত্তর)সহ আরো অনেক পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তাঁর বড় ভাই বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারকে ঢাকার মিরপুরে খুঁজতে গিয়ে তিনি
আর কখনোই ফিরে আসেননি। দিনটি জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল
[আরো বিস্তারিত জানতে বাংলাপিডিয়া ও পত্রপত্রিকায় ‘জহির রায়হান’ সম্পর্কিত লেখাগুলো পড়তে পারো।]