মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

উত্তরের দুই জেলায় শীতের তীব্রতা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

উত্তরবঙ্গের দুই জেলা পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। এতে মানুষের দুর্ভোগও বেড়ে চলেছে। গতকাল মঙ্গলবার দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রিতে।

এমন পরিস্থিতিতে এ মাসের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায়।

পঞ্চগড় জেলায় রাত ও দিনে তাপমাত্রা আবারও কমেছে। গতকাল সকাল ৯টায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। আগের দিন ছিল ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে ২৩ নভেম্বর তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ১২ ডিগ্রিতে। এর পর থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫-এর মধ্যেই ওঠানামা করছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছিল ২৮ থেকে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। তবে দুই দিন ধরে দিনের তাপমাত্রাও কমেছে। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে হালকা কুয়াশার সঙ্গে কনকনে শীত অনুভূত হয়। রাতভর হালকা থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে এলাকা। তবে ভোরের দিকে সূর্য উদয়ের সঙ্গে কমে যায় ঠান্ডার অনুভূতি। গতকাল সকাল থেকে সূর্য উদয়ের সঙ্গে ঠান্ডা কমলেও বিকেলের পর থেকে আবার শুরু হয় শীতের অনুভূতি।

শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে তিন শতাধিক রোগী শীতজনিত কাশি, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বেশি বয়স্করা সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মেঝে বা বারান্দায় থাকছেন অনেক রোগী।

হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ মনোয়ার হোসেন বলেন, এবারও শীতজনিত রোগের একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে। আমরা সচেতন হওয়ার পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি।

গতকাল সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ। এটি চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

সকাল ও বিকেলের পরে ঘন কুয়াশা না থাকলেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি হওয়ায় ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। ফলে সূর্যের আলোতেও তেমন একটা উষ্ণতার পরশ পাচ্ছে না জেলার ১৬টি নদীর অববাহিকায় বসবাসকারী সাড়ে চার শতাধিক চর ও দ্বীপচরের মানুষ। সেই সঙ্গে উত্তরীয় হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, তাপমাত্রা কয়েক দিনের মধ্যে আরও কমে নিম্নগামী হবে। সেই সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় কনকনে ঠান্ডা অনুভুত হবে।

(প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি)

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com