* প্লাস্টিকের বয়ামে রেখে দিলে কয়েক দিন পর আচারে তেল চিটচিটে ঘ্রাণ ছড়ায়। আচারের স্বাদও কমে যায়। এ জন্য আচার সংরক্ষণ করতে সব সময় কাচের পাত্র ব্যবহার করুন।
* আচার সংরক্ষণের পাত্র পরিষ্কার হওয়া জরুরি। যে পাত্রে আচার রাখবেন, সেটি অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রোদে শুকিয়ে নিন।
*আচার ভালো রাখার জন্য তেল খুব উপকারী। খেয়াল রাখুন, আচারের ওপরে যেন তেলের একটা আস্তরণ থাকে।
* লবণ খুব ভালো প্রিজারভেটিভ। এটি গন্ধ অটুট রাখে। আচারের স্বাদ বাড়ায়। আচার তৈরির সময় সঠিক মাত্রায় লবণ ব্যবহার করুন। এটি করলে আচারে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারবে না।
* হলুদ, মেথি পাউডার এবং হিংও ভালো প্রিজারভেটিভ। আচার সংরক্ষণে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহার করতে পারেন সোডিয়াম বেনজোয়েট এসিডের মতো রাসায়নিকও। এতেও আচার দীর্ঘদিন ভালো থাকে। আচারে ভিনেগার ব্যবহার করলেও কয়েক মাস ভালো থাকে।
* আচারের পাত্র বের করে মাঝেমধ্যে রোদে দিতে পারেন। আচারের বয়াম সূর্যের আলোতে রাখলে সহজে ফাঙ্গাস পড়ে না।
* আচার বাইরে না রেখে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। এতে আর আলাদা করে প্রিজারভেটিভ বা কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করতে হবে না। ঠাণ্ডা স্থানে ফাঙ্গাস পড়ে না।
* ফ্রিজ থেকে আচার বের করে রোদে দেওয়া ছাড়া বেশিক্ষণ বাইরে রাখবেন না। খাওয়ার জন্য ফ্রিজ থেকে বের করার পরপরই তুলে রাখুন। নয়তো বাতাস ঢুকে আচারের স্বাদ নষ্ট হতে পারে।
* আচার সংরক্ষণের জন্য সরাসরি সূর্যের আলো ও উচ্চ তাপমাত্রা পরিহার করুন। ঠাণ্ডা ও ছায়াময় স্থান আচারের জন্য ভালো। রান্নাঘরের কেবিনেট বা আলমারির ওপরে আচারের পাত্র রাখতে পারেন।
* মাঝেমধ্যে আচারের পাত্র বাইরে বের করে পর্যবেক্ষণ করুন। সংরক্ষণের স্থান বা পাত্রের ভেতর কোনো অস্বাভাবিক গন্ধ হলো কি না পরখ করুন।
* আচার নষ্ট হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে তা তত্ক্ষণাত্ নষ্ট করে ফেলুন। মোল্ড বা ছত্রাক দেখা গেলে তা সরিয়ে ফেলে আচারকে পুনরায় জীবাণুমুক্ত পাত্রে তুলে রাখুন।
* আচার খাওয়া বা পরিবেশনের আগে এর স্বাদ ও গন্ধ পরখ করা জরুরি। নষ্ট আচার খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।