সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

দলগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে মতৈক্যে পৌঁছতে না পারলে সরকারের সিদ্ধান্ত

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন

জুলাই জাতীয় সনদ বা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজ উদ্যোগে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে সম্ভাব্য দ্রুত সময়ে ঐক্যবদ্ধ দিকনির্দেশনা দেওয়ার আহবান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজনৈতিক দলগুলো যদি এক সপ্তাহের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত দিতে না পারে, তাহলে সরকার তার মতো করে সিদ্ধান্ত নেবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের ‘জরুরি সভায়’ এই সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।পরে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সিদ্ধান্ত জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই জাতীয় সনদ বা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে   রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে মতভেদ দেখা দিয়েছে, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে উপদেষ্টা পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল জানান, উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভায় সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপনের প্রচেষ্টার জন্য এবং বহু বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো গত ১৫ বছর একসঙ্গে আন্দোলন করেছে।আমরা তাদের কিছুটা সময় দিতে চাই, তারা নিজেরা আলোচনা করে এসব বিষয়ে একমত হতে পারে কি না সেটা দেখি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো আলটিমেটাম দিইনি। আমরা অপেক্ষা করব, এরপর প্রয়োজন হলে সরকার নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবে।’

আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, ঐকমত্য কমিশনে যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল, চূড়ান্ত সুপারিশে সেসব বিষয় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি বা ব্যত্যয় ঘটেছে।

জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কোনো মন্তব্য নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এ বিষয়েও আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা দেবে। তারা যদি একমত হয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছে, তাহলে আমাদের কাজ অনেক সহজ হবে। তবে তারা যদি ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে না পৌঁছে, তাহলে সরকার নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবে।’

গত মঙ্গলবার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এতে বলা হয়, সনদের সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে বিশেষ আদেশ জারি করে তার ভিত্তিতে গণভোট হবে। গণভোটে প্রস্তাব পাস হলে আগামী সংসদ সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে ২৭০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। তবে গণভোট কবে হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ঐকমত্য কমিশন সরকারের ওপর ছেড়ে দেয়।

পরে গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, গণভোট কবে হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ তীব্রতম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আমরা থাকব। আমরা সহায়তা করার জন্য থাকব। সিদ্ধান্ত পার্টিকুলার কেউ নেবেন না, এটা আপনারা নিশ্চিত থাকেন। এই সিদ্ধান্ত প্রধান উপদেষ্টা নেবেন। দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com