এ ছাড়া গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাংক কর্মকর্তাদের বীমা পলিসি সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান না থাকলে গ্রাহক বিভ্রান্ত হতে পারেন। সিটি ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আশানুর রহমান বলেন, ‘গ্রাহকদের সঠিক পরামর্শ দিতে হলে ব্যাংকারদের বীমা সম্পর্কে গভীর ধারণা থাকা জরুরি। আমরা সেদিকেই কাজ করছি।’
বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে ব্যাংকাস্যুরেন্স তদারকির জন্য আলাদা শাখা খুলেছে, আর আইডিআরএ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ইউনিট গঠন করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, ব্যাংকাস্যুরেন্স বাংলাদেশের বীমা খাতকে গতিশীল করবে, গ্রাহকদের কাছে বীমা আরো সহজলভ্য হবে এবং ব্যাংকিং খাতেও নতুন আয়ের উৎস তৈরি হবে।
অন্যদিকে বীমা কম্পানিগুলোর জন্যও এটি একটি সুযোগ। তারা ব্যাংকের মাধ্যমে নিজেদের পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারবে, যা বীমা বাজারে প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা বাড়াবে। তবে এর জন্য নীতিমালা, প্রশিক্ষণ ও তদারকি শক্তিশালী করা জরুরি, যাতে এজেন্টদের ক্ষতি কম হয় এবং গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষা পায়।