বাংলাদেশের বীমা খাত নিয়ে যেমন আস্থার সংকট রয়েছে তেমনি অভাব রয়েছে জানারও। মূলত জনসচেতনতার মধ্য দিয়েই এ সেবা আস্থা অর্জনের পাশাপাশি পৌঁছে যেতে পারে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে। এতে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি। বিশ্লেষকরা বলছেন, বীমার তুলনায় ব্যাংকের ওপর গ্রাহকদের আস্থা বেশি, সেহেতু ব্যাংকাস্যুরেন্সের আওতায় বীমা পলিসি কেনার প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বাড়বে।
এ ছাড়া নতুন বীমা কম্পানির সঙ্গে অংশীদারি গড়ে পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে প্রাইম ব্যাংকের, যাতে গ্রাহকরা আরো বেশি বিকল্প ও সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাংকাস্যুরেন্স শুধু বীমা খাতের স্বচ্ছতা ও প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করবে না, বরং দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।এ বিষয়ে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির (ডিএমডি), রেটইল ও এসএমই ব্যাংকিং প্রধান এবং প্রধান ব্যাংকাস্যুরেন্স কর্মকর্তা এম. খোরশেদ আনোয়ার বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যাংকাস্যুরেন্স খাত ইনস্যুরেন্সশিল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধির সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংকিং সেক্টরের নিয়ন্ত্রিত কাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ব্যবস্থাপনা এই বিশ্বাসযোগ্যতাকে আরো সুদৃঢ় করছে। ভবিষ্যতে আমাদের লক্ষ্য হলো ইনস্যুরেন্স সেবা গ্রাহকের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দেওয়া, যাতে মোবাইল বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকেই সহজে পলিসি গ্রহণ, প্রিমিয়াম পরিশোধ ও ক্লেইম সেবা গ্রহণ করা যায়।