এতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় মোট চার লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে।
এতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় মোট চার লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে।
সফরকারী মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে উভয় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর কৌশল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচনা হয়।পাশাপাশি তুলা, সয়াবিনসহ মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ব্যবধান কমিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ। এই ব্যবধান কমিয়ে আনা সম্ভব হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো বাড়ানো সম্ভব হবে। গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি। বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ৩৫ শতাংশ শুল্ক কমানোর দর-কষাকষিতে সুবিধা পেতে কিছুটা বেশি দামে এই গম কেনা হচ্ছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এই গম ক্রয় প্রস্তাবে ছিল, সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এসব গম কেনা হবে। প্রতি মেট্রিক টন গম কিনতে ব্যয় হবে ৩০২.৭৫ মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে দুই লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম কিনতে ব্যয় হবে ৮১৭ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। প্রতি কেজি গমের দাম পড়ছে ৩৭ টাকা ২০ পয়সা।