সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ভারতের আগ্রাসনের দ্রুত জবাব দেবে পাকিস্তান

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

ভারত থেকে কোনো আগ্রাসন চালানো হলে তার ‘দ্রুত ও ধ্বংসাত্মক জবাব’ দেয়ার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। বুধবার দেশটির সেনাবাহিনী এই কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। এ খবর দিয়ে অনলাইন জিও নিউজ বলেছে, জেনারেল সদর দফতরে (জিএইচকিউ) অনুষ্ঠিত ২৭২তম কর্পস কমান্ডারস কনফারেন্সে (সিসিসি) সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনিরের সভাপতিত্বে এই ঘোষণা আসে বলে জানিয়েছে ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। বৈঠকে ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উস্কানিমূলক বক্তব্যে’ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। তাদের ওইসব বক্তব্যকে পাকিস্তান অভিহিত করেছে ‘রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য যুদ্ধ উন্মাদনা সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা’ হিসেবে। আইএসপিআর তার বিবৃতিতে বলেছে, ভারতের কোনো আগ্রাসনের জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দ্রুত ও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে। ভৌগোলিক অবস্থান থেকে আসা ভারতের নিরাপত্তার ভ্রান্ত ধারণা চূর্ণবিচূর্ণ হবে। সতর্ক করে বলা হয়, ভারত যদি নতুন করে ‘স্বাভাবিক অবস্থা’ তৈরি করতে চায়, তবে তার জবাবে আমরা নতুন ‘দ্রুত প্রতিশোধমূলক স্বাভাবিকতা’ তৈরি করব। বৈঠকে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, চলমান নিরাপত্তা হুমকি এবং সামগ্রিক অপারেশনাল প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। সেনা কর্মকর্তারা ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ‘ফিতনা আল-খারেজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ ধ্বংসের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধ ও সন্ত্রাসের মধ্যে বিদ্যমান যোগসাজশ, যা কিছু রাজনৈতিক শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় চলছে এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তা যেকোনো মূল্যে নির্মূল করা হবে। সম্প্রতি ভারতের সামরিক কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের প্রতি কড়া মন্তব্য এসেছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান অমর প্রীত সিংহ দাবি করেছেন, মে মাসের চার দিনের যুদ্ধের সময় ভারত পাঁচটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান (এফ-১৬ ও জেএফ-১৭ শ্রেণির) গুলি করে নামিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি। এই সংঘাত শুরু হয় জম্মু-কাশ্মীরের পেহোলগামে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর। এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত। ভারতের তিনদিনের আক্রমণে কয়েকজন নিরীহ পাকিস্তানি নিহত হন। এর পর পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ান-উম-মারসুস’ চালায়। তাতে পাকিস্তান ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান- তিনটি রাফালসহ ধ্বংস করে বলে দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের সংঘাতের অবসান ঘটায়। বৈঠকে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত পাকিস্তান-সউদী আরব কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানানো হয়। এটি দুই দেশের মধ্যে ‘বহুমাত্রিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত হয়। সেনা কর্মকর্তারা কাশ্মীর ও ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রাসঙ্গিক প্রস্তাব অনুযায়ী কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সমর্থন করেন। এছাড়া, তারা ফিলিস্তিনে অবিলম্বে মানবিক সহায়তা প্রবেশের আহ্বান জানান এবং ১৯৬৭-পূর্ব সীমারেখা অনুযায়ী জেরুজালেম (আল কুদস আল শরিফ)-কে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। সমাপনী বক্তব্যে সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির সেনাদের দৃঢ়তা ও শৃঙ্খলার প্রশংসা করেন এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঐতিহ্যগত বা হাইব্রিড- যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম। জিও নিউজ।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com