সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

কালের সাক্ষী খান জাহান আলী জামে মসজিদ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে
যশোরের অভয়নগরে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক খান জাহান আলী জামে মসজিদ, স্থানীয়রা যাকে শুভরাড়া জামে মসজিদ নামেও চেনে। এই মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অত্র অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের ইতিহাস। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টীয় ১৫ শতকে খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলের বিখ্যাত সুফি সাধক ও ইসলাম প্রচারক খান জাহান আলী (রহ.) এই মসজিদ নির্মাণ করেন। তিনি অত্র অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে বের হলে শুভরাড়া গ্রামে পৌঁছান।

তিনি অসংখ্য দিঘি খনন করে অত্র অঞ্চলের মানুষের সুপেয় পানির কষ্ট দূর করেন।ভৈরব নদের তীরে নির্মিত খান জাহান আলী মসজিদ নওয়াপাড়া বাজার থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে এবং প্রাচীন নগরী খলিফাতাবাদ থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মসজিদটি এক গম্বুজ ও চার মিনার বিশিষ্ট। শুভরাড়া মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি প্রাচীন মাজার।
ঐতিহাসিক সতীশচন্দ্র মিত্রের ‘যশোর ও খুলনার ইতিহাস’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, খ্রিস্টীয় ১৪৪৫ থেকে ১৪৫৯ সালের মধ্যে কোনো একসময় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী বাশুয়াড়ি গ্রামে মাত্র এক রাতের মধ্যে সুপেয় পানির চাহিদা মেটাতে একটি দিঘিও খনন করেন। দিঘির খননকাজে ৫০ হাজার শ্রমিক অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুসারে, ১৯৬৩ সালের আগে খান জাহান আলী জামে মসজিদ পরিত্যক্ত ছিল, এর গম্বুজও ভাঙা ছিল। পরে এলাকাবাসী এটি কোনোমতে সংস্কার করে নামাজ আদায় শুরু করে। পরবর্তী সময়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে মসজিদের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার করা হয়। মূল নকশা ও শৈলী অক্ষুণ্ন রেখে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়। মুসল্লিদের নামাজের জায়গা না হওয়ায় মসজিদের পূর্ব পাশে টিনশেড দিয়ে নামাজের জায়গা বাড়ানো হয়েছে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com