২০১২ সালের আগস্টে আল জাজিরায় সাংবাদিক নিকোলাস হক ‘Ancient Mosque Unearthed in Bangladesh’ শিরোনামে গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়—‘বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামে টিম স্টিল নামে
৮ম শতকের গোড়ায় খলিফা হারুন আল রশিদ যখন বাগদাদকে ইসলামী সাম্রাজ্যের রাজধানী ঘোষণা করেন, তখন এটি কেবল রাজনৈতিক নয়, শিগগিরই হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর পুত্র
(১ম পর্ব) : চলছে পবিত্র মহররম মাস। এ মাস এলেই ইতিহাসের পাতা থেকে ভেসে ওঠে কারবালার প্রান্তরে সংঘটিত এক হৃদয়বিদারক অধ্যায়—রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় নাতি হোসাইন (রা.)-এর মর্মান্তিক শাহাদত। শুধু একটি
শেষ পর্ব: পনেরো শতকে গণেশের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার প্রায় একশ বছর পর ষোলো শতকের শুরুতে আলাউদ্দীন হোসাইন শাহর শাসনামলে (১৪৯৩-১৫১৯) সিলেটের গৌরাঙ্গ নবদ্বীপের চৈতন্য পরিচয়ে ১৫০৬ সাল থেকে হিন্দু সাংস্কৃতিক
ঢাকা শহরের অলিগলি, পুরোনো সব পাড়া-মহল্লা আর কোলাহলপূর্ণ রাজপথের আড়ালে লুকিয়ে আছে রুহানিয়াতের অনালোচিত অধ্যায়। শত শত বছর আগে এ শহরে পা রেখেছিলেন অনেক সুফি-সাধক, পীর-মাশায়েখ যারা দূরদূরান্ত থেকে ইসলামের
ইতিহাস রাজা-বাদশাহর নামধাম নয়; ইতিহাস মানে মানুষের পথচলা, নদীর ঘ্রাণ, মাটির রঙ, জনপদের বদল, ভাষার ভেতর লুকিয়ে থাকা যুগের ছাপ। এই ইতিহাসকে যারা কাগজের শুকনো পাতার ভেতর থেকে টেনে এনে
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজস্বখেলাপি কর্মকর্তা জব চার্নক ঢাকার সুবাদার শায়েস্তা খানের গ্রেপ্তার এড়াতে ১৬৮৭ সালে হুগলি থেকে পালিয়ে নবদ্বীপের কলকাতা গ্রামে আশ্রয় নেন। তখনকার কলকাতা ছিল ‘দশ-বারো ঘর কৃষক ও
ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহৎ ও জৌলুশময় সাম্রাজ্যের একটি হচ্ছে মুঘল আমল। এর বিস্তৃতি ছিল বর্তমান আফগানিস্তান থেকে শুরু করে পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশে। বাংলাদেশ অংশে এখনও সেই সময়কার বেশ কিছু স্থাপত্যের