তিনি বলেন, ‘কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু অভিযোজন নিশ্চিত করতে খণ্ডকালীন ও সীমিত প্রকল্প থেকে সরে এসে কৃষি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনাসহ সব খাতে সমন্বিত ও পদ্ধতিগত পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। এ জন্য জলবায়ুবান্ধব প্রযুক্তি প্রকৃতিনির্ভর সমাধান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো অত্যাবশ্যক। বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে চরম ঝুঁকির মধ্যেও অভিযোজন সম্ভব।








