সিএ প্রেস উইং ফ্যাক্টস ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেছে, প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত ছবিটি আসলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে তোলা হয়।ছবির ক্যাপশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘প্রধান উপদেষ্টা বক্তব্য দেওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ।’ অথচ একই ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুলভাবে প্রচার করা হয়েছে, যেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ওয়াকআউট না করে সভায় বসেছিল।বাস্তবে, নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশের শতাধিক প্রতিনিধি গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে সভাকক্ষ ত্যাগ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলও তখন সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়।বার্তা সংস্থা এএফপি ও অন্যান্য বিশ্বস্ত সংস্থার প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশের আসন খালি ছিল। বেসরকারি একাধিক গণমাধ্যম থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত হওয়ায় বিভ্রান্তিকর দাবির কোনো ভিত্তি নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবিটি ভিন্ন সময় তোলা এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।








