বিশ্ব জন্মনিরোধ দিবস আজ ২৬ সেপ্টেম্বর। পরিকল্পিত পরিবার গঠন ও জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০০৭ সাল থেকে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। আমাদের দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের হার এখনো আশাব্যঞ্জক নয়। এক্ষেত্রে পুরুষদের অংশগ্রহণ খুবই কম।
ইচ্ছা থাকলেও ১০ শতাংশ দম্পতি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারছেন না। জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সংকট, কোথায় পাওয়া যায়– তা না জানা এর বড় কারণ।সব ওষুধের মতো জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। ফলে ব্যবহারকারীর স্বস্তির পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব থাকা স্বাভাবিক। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রায় পুরোটা নারীরা ব্যবহার করে বলে এই ঝুঁকি তাদেরই বেশি নিতে হচ্ছে।
চাহিদার মাত্র ৩৭ শতাংশ জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সরকার থেকে দেওয়া হয়। ৬০ শতাংশ বেসরকারি এবং বাকি ৩ শতাংশ এনজিওগুলো সরবরাহ করে থাকে। এই বাস্তবতায় ‘পরিকল্পিত পরিবার, সুস্থ সমাজ’ স্লোগানে আজ ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জন্মনিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে।জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচারের অভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারে দম্পতিদের সচেতন করা যাচ্ছে না। ঘরে ঘরে প্রচারের ফলে আশির দশকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে যে সাফল্য এসেছিল, সরকারের মনোযোগের অভাবে সেটি ব্যাহত হচ্ছে। ভবিষ্যতের জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে এখন থেকেই সচেতনতামূলক প্রচার বাড়ানো উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।