মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চিন্তা করছে ইসি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে
আগামী অক্টোবর মাস থেকেই ধাপে ধাপে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই লক্ষ্যে চলতি জুনের মধ্যে নির্বাচনী বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধনের কাজ শেষ করতে চান সংশ্লিষ্টরা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী আগস্টের শেষভাগে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।
সোমবার (১ জুন) ঈদ-উত্তর প্রথম কার্যদিবসে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক পুনর্মিলনী সভায় কর্মকর্তাদের এমন প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্য কমিশনারগণ এবং ইসির সিনিয়র সচিব এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই যেন ভোট গ্রহণ শুরু করা যায়, সে জন্য কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগস্ট থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে হবে, যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়।’
তবে কমিশনের কোনো কোনো কর্মকর্তার মতে, অক্টোবরের সম্ভাব্য তারিখটি কাজের গতি বাড়াতে বলা হলেও বাস্তবতার নিরিখে ভোট গ্রহণ আরও মাসখানেক পেছাতে পারে। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, অক্টোবরে ভোট করতে হলে অন্তত দেড় মাস আগে তফসিল দিতে হবে। সরকারের সবুজ সংকেত পেলেই কমিশন চূড়ান্ত ধাপে এগোবে।
পুনর্মিলনী সভায় সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন যে মানের হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে তার চেয়েও নিখুঁত ও উন্নত মানের করতে হবে। কোনোভাবেই এর নিচে নামা যাবে না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন আইনের সংশোধনীর সাথে সংগতি রেখে আচরণবিধি ও নির্বাচনী বিধিমালা হালনাগাদ করা হচ্ছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে এই বিধিমালার খসড়া তৈরি করে জনমত যাচাইয়ের জন্য ১৫ জুন ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। সেখানে ১৫ দিন ধরে নাগরিকরা তাদের মতামত দিতে পারবেন এবং প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতেই বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে।
বর্তমানে প্রায় সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় পুরো দেশের নির্বাচন শেষ করতে ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার নির্বাচন হবে। এর মধ্যে বিশালসংখ্যক ইউনিয়ন পরিষদের ভোট হবে কয়েক ধাপে। এরপর সিটি করপোরেশন এবং সর্বশেষ ধাপে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসির তথ্যমতে, নতুন গঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশন বাদে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, ৪৫০টির বেশি উপজেলা, ৩০০টির বেশি পৌরসভা এবং ৬১টি জেলা পরিষদে কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই ভোট করা সম্ভব। এছাড়া প্রায় ৬০০ ইউনিয়ন পরিষদের আইনি মেয়াদ গত এপ্রিলেই শুরু হওয়ায় অক্টোবরের মধ্যে সেখানে ভোট করা বাধ্যতামূলক। বাকি ২ হাজার ৮০০-এর বেশি ইউপির নির্বাচনের ১৮০ দিনের আইনি গণনা শুরু হবে আগামী জুলাই থেকে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com