জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের প্রতি অবিলম্বে বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং জনগণের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অতীতে জুলুম-অত্যাচারের পরিণতি কী হয়েছে, তা পেছনের দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলালুদ্দিন আহমদ, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাও. ইয়াসিন আরাফাত প্রমুখ। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জামায়াতের দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, চলতি বছরই সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। কিন্তু মাত্র তিন মাস পার হতে না হতেই সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বাড়ানো হলো এবং বিদ্যুতের দামও প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো। তিনি অভিযোগ করেন, গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকার এক মাসে দুবার তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। এর আগে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষ খুব কষ্টে আছে। নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষি, পরিবহন ভাড়াসহ সর্বস্তরে ব্যয় বেড়ে যাবে। কিন্তু বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির এই কোটি কোটি টাকা কী করবে- মানুষ সেটা জানতে চায়। সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা পল্টন হয়ে কাকরাইলে গিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।








